এইটে ব্রজবুলি সিরিজের চতুর্থ এনট্রি। বাকিগুলো অাগে পড়ে নিলে কন্টিনিউটিও থাকবে, বেচারি প্রোডাকশন ডিজাইনারীর চাকরিটাও মকেলে মবেম্বে খেয়ে নেবে না, অার বেচারার বদহজমও হবে না।


রিক্যাপ : নিতাই, ব্রজদা, অ্যান্ড ভুলো দ্য ডগ পিঁড়িমোবিলে চেপে কিডন্যাপ হওয়া ভিত্তোরিওকে খুঁজতে বেড়িয়েছে। অনেক খুঁজেও শেষে না পেয়ে কলেজ স্কোয়্যারে এসে পিটস্টপ দিয়েছে।


— ব্রজদা।
— উঁ।
— ও ব্রজদা।
— উঁ উঁ।
— বলি ঘুমিয়ে পড়লে নাকি?
— অাঃ, ডিস্টাব করছিস ক্যান?
— ব্রজদা। অামি নিতাই।
— তো অামি কী করব? নাচব?
— না না, ভিত্তোরিও।
— ধুত্তোরিও, দিল ঘুমটার বারোটা বাজিয়ে।
— ভিত্তোরিও। হারিয়ে গেছে যে।
— সে তো কিড…

ধড়মড় করে উঠে বসলেন ব্রজদা। কেস খেয়েছিলেন অারেকটু হলে। নিতাইয়ের সাইকেল, যার নাম ভিত্তোরিও, যে তাঁর হাত দিয়েই শিয়ালদা স্টেশনে এসেছিল এবং তার পরে কিডন্যাপ হয়েছিল, সেই ইমপর্ট্যান্ট পীস অফ ইনফো-টা নিতাইয়ের নেই। অার এখন কিনা ঘুমের ঘোরে বেসামাল হয়ে মার্কেটে ব্রেক-দ্য-পিচার খেলে ফেলছিলেন অার কি।

নিতাই এমনিতে বেশ এফিশিয়েন্ট ছেলে হলেও, উপরতলায় তেমন যাকে বলে, ইয়ে নয়। শোনা যায় ছোটবেলায় বাকি সবই প্রেজেন্ট ছিল, বেশ সুস্থ সবল বাচ্ছা হয়েছিল, কিন্তু এসেনশিয়াল এরিয়াতে স্রেফ “মেড বাই কাউ, ১০০ শতাংশ অর্গ্যানিক” ছাপ মারা ছিল। বাবা নিতাই মা নিতাই গুরুদেব শিঙাড়াবাবাজির কাছে দ্বারস্থ হন। শিঙাড়াবাবাজি জিলিপি চিবুতে-চিবুতে বলেন, “ওরে, অার কিছুদিন বাদেই কুম্ভ মেলা, প্রয়াগে। নিয়ে যা। একটা হিল্লে হয়ে যাবেই যাবে।” সুতরাং অনতিবিলম্বে বাবা নিতাই মা নিতাই ছেলেকে নিয়ে প্রয়াগ উপস্থিত। সন্ধ্যাবেলা, চারিদিক নিওন লাইটের ছড়াছড়ি, লোকজন গিজগিজ করছে, তার মধ্যে দিয়ে নিতাই কোলে হাঁটতে গিয়ে হঠাৎ দেখেন, নিতাইয়ের টপ লেভেলে অালো জ্বলে উঠেছে। প্রথমে একটু লাল হয়ে, তারপর একটু দপদপ করে, ফাইনালি পুট করে অালোয়-অালোময়। বাবা নিতাই মা নিতাই অানন্দে অাপ্লুত হয়ে রিটার্ন ট্রেনে ফিরে অাসেন, এসে সোজা শিঙাড়াবাবাজির দর্শনস্থলে। শিঙাড়াবাবাজি সব শুনে বলেন, “ওরে, কুম্ভ মেলা তো, ওটা বলিকাঠ বাবার দান। ইন কোলাবোরেশন উইথ নিওনবাবা। অামিও খবর পেয়েছিলুম বটে, ফিলিপ্স বাবুর একটি খোয়া গেছে। তা যাকগে, বলিকাঠ বাবার দান, যত্ন করে অাগলে রাখিস। কিসুই তো ছিল না, এখন না হয়ে একটু দপদপ করেই জ্বলল। তবে খবরদার, এল-ই-ডি বা সি-এফ-এল এলে কিন্তু সাবধানে থাকতে বলিস ছেলেকে, বেমক্কা যুদ্ধ বেঁধে যাবে।”

বলিকাঠ বাবা যে জুনিয়র ফিলিপ্স ছাড়া কাউকে অন শর্ট নোটিস খুঁজে পাননি, সেটাই রক্ষে। ব্রজদা কপালের ঘাম মুছলেন। ক্লোজ কল। সাবধানে থাকতে হবে। ভিত্তোরিওকে হারিয়ে নিতাই বেশ হার্ট হয়েছে, হার্ট হেল হয়ে গেছে, যদি একবার জানতে পারে ব্রজদাই কালপ্রিট, পিটিয়ে পোস্তচচ্চড়ি বানাবে। এমনিতে শান্ত ছেলে, সেক্রেটারি-কাম-অ্যাসিস্ট্যান্ট-কাম-অজীভ্সের চাকরিটা ইদানিং পেলেও বেশ ভালই কাজ করছে শোনা যায়। ওর বস, বোস না ঘোষ কী নাম, নাকি অলরেডি ডিক্লেয়ার করে দিয়েছেন নিতাই ছাড়া ওনার চলে না। নিতাইও মাথা ঠান্ডা ছেলে, হুট করে রাগে না, কিন্তু কচিৎ-কদাচিৎ সেরকম ব্যাপার হলে ফটাশ করে ফেটে যায়, সাদা-সাদা ধোঁয়া বেরোতে থাকে কান দিয়ে। রাগবাবুর মত অত রেগুলার তেলে-বেগুন বা ওয়াটার-পটাসিয়াম রাগ না হলেও, নিতাই সেরকম হলে স্রেফ ধোবিপাট করে উচ্চন্ড-মার্তন্ড-কুক্কুটডিম্বানন্দ অবধি নাম ভুলিয়ে দিতে পারে।

— নিতাই, ইউ অার রাইট। ভিত্তোরিওকে এখন অামাদের প্রয়োজন, অার অামি কিনা পড়ে-পড়ে নাক ডাকাচ্ছি? অার এক মিনিটও দেরী নয়, টু দ্য পিঁড়িমোবিল।

— ব্রজদা, অাপনি পিঁড়িমোবিলেই অাছেন।

— অ্যাঁ?

ব্রজদা চমকে দেখলেন, তাই তো। পিঁড়িমোবিলই বটে। সারাসকাল সারাশহর ঘুরেও ভিত্তোরিও সাইকেল বা সাইকেল চোরের বিন্দুমাত্র খোঁজ না পেয়ে শেষে পেটের নাড়িভুঁড়ি বাঁচাতে উপস্থিত হয়েছিলেন অালিচাচার দোকানে। সেরখানেক মটোন বিরিয়ানি–অবশ্যই নিতাইয়ের ঘাড় ভেঙে–সাফাই করে কলেজ স্কোয়্যারে এসে পুঁটিরাম থেকে কিলোখানেক রাবড়ি অার প্যারামাউন্ট থেকে দু-বোতল রূহ-অফজা শেষ করে কলেজ স্কোয়ারে একটি গাছের ছায়ায় বডি ফেলে খানিক দুচোখের পাতা এক করেছিলেন। ঘুমিয়ে-ঘুমিয়ে, মানে, ন্যাপিয়ে-ন্যাপিয়ে–ব্রজদা দুপুরে ঘুমোন না, ন্যাপ নিয়ে থাকেন, দুটোয় অাকাশ-পাতাল তফাত–স্বপ্ন দেখছিলেন নিজের বাড়িতে পৈতৃক ছাড়পোকাপোষে শুয়ে অাছেন, বেশ অারাম লাগছিল, রেগুলার কুটুর-কুটুর কামড়গুলোর অভাব বোধ করলেও নালিশ করবার মত অাদমি ব্রজদা নন। কলেজ স্কোয়ারে গাছের তলায় তক্তপোষ কোত্থেকে অাসবে, এই দুর্মূল্য প্রশ্নটা সাবকনশাস থেকে কখনও-কখনও উপরে উঠে খোঁচা মারছিল বটে, কিন্তু মটোন বিরিয়ানি সেই বিপ্লবী চিন্তাকে গুটিকয়েক ওয়েল-প্লেস্ড গাঁট্টার সাহায্যে অাবার রিটার্ন টিকিট কেটে সোজা ট্রেনে চাপিয়ে দিচ্ছিল। ঘুম ভাঙার পর টিকিট-কাউন্টার বন্ধ দেখে সে অাবার সারফেসে উঠে এসে গাঁট্টার ভয়ে এদিক-ওদিক দেখে সাহস করে চশমা ঠিক করতে-করতে বলেই ফেলল, “অাই হ্যাভ অ্যানাদার অলসো কোশ্চেন।”

ব্রজ : বলে ফেল বৎস।
বিপ্র : নমস্কার ব্রজদা।
ব্রজ : নমস্কার নমস্কার।
বিপ্র : অামি বিপ্র।
ব্রজ : তাই নাকি তাই নাকি। বাঃ বেশ নাম তো। তো তোমাকে তো ঠিক চিনলেম না বাবা…
বিপ্র : চিনবেন কী করে? অামার সঙ্গে তো খুব একটা দেখা-সাক্ষাৎ অাপনার ঠিক হয় না।
ব্রজ : হয় না বলছ?
বিপ্র : হয় না তো।
ব্রজ : খুব একটা দেখা হয় না বলছ। মানে অাগেও দেখা হয়েছে?
বিপ্র : হয়েছে বৈকি।
ব্রজ : কই, মনে পড়ছে না তো।
বিপ্র : না, তা ঠিক মনে পড়বে না।
ব্রজ : পড়বে না?
বিপ্র : উঁহু।
ব্রজ : তুমি কে বাবা? অামি তো অত সহজে লোক ভুলি না।
বিপ্র : অাজ্ঞে অামার পুরো নামটা বললে হয়তো…
ব্রজ : বিপ্রজিৎ?
বিপ্র : অাজ্ঞে না। বিপ্র ইনিশিয়াল্স। পুরো পিতৃদত্ত নাম বিপ্লবী প্রশ্ন।
ব্রজ : বিপ্লবী প্রশ্ন?
বিপ্র : বিপ্লবী প্রশ্ন।
ব্রজ : পিতৃদত্ত?
বিপ্র : পিতৃদত্ত।
ব্রজ : পিতা কে? চিনি তাঁকে?
বিপ্র : অাজ্ঞে চিনতেও পারেন। গোকুলবাবুর ভীষণ বন্ধু ছিলেন তো।
ব্রজ : গোকুলবাবু? গোকুল মাষ্টার? যিনি শিকার করতে ভালবাসতেন, ওই কোন কুখ্যাত খুনিকে যেন পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছিলেন?
বিপ্র : অাজ্ঞে সেম পার্সেন।
ব্রজ : ওই যিনি তার বছর দুয়েকের মধ্যে…
বিপ্র : এগজ্যাক্ট এক বছর।
ব্রজ : ইয়েস ইয়েস এক বছর। মারা গিছলেন, হার্ট ফেল করে, ওই শিকার করতে গিয়েই তো…
বিপ্র : অাজ্ঞে হার্ট ফেল বটে, তবে ওনার হার্ট মজবুত ছিল।
ব্রজ : তাহলে?
বিপ্র : ভয় পেয়ে।
ব্রজ : ভয় পেয়ে? কী যে বল, কোনো মানে হয় না। গোকুল মাষ্টার কোন জীবিত মানুষকে ডরাতেন না।
বিপ্র : তাই বটে। তো অামার পিতৃদেব ওনারই সঙ্গে সঙ্গে চলতেন। বুজুম ফ্রেন্ড যাকে বলে। শেষ মুহূর্ত অবধি…
ব্রজ : তো তোমার নাম বিপ্লবী প্রশ্ন? ভারি অদ্ভুত নাম তো। তো তুমি করো কী?
বিপ্র : ওই যে, নামেই কাম। কোশ্চেন করে বেড়াই।
ব্রজ : তো এখন কী কোশ্চেন নিয়ে এসেছো? কোশ্চেন অাছে তো, নাকি স্রেফ চা-বিস্কুট-নকুলদানা…
বিপ্র : না না, লাগবে না, থ্যাঙ্কু। কোশ্চেন তো অাছেই।
ব্রজ : বলে ফেল।
বিপ্র : এই যে অাপনি।
ব্রজ : এই যে অামি।
বিপ্র : শুয়ে অাছেন।
ব্রজ : শুয়ে ছিলাম। ধড়মড়িয়ে উঠে বসেছি। স্ক্রিপ্ট চেক কর।
বিপ্র : ইয়েস, উঠে বসেছেন।
ব্রজ : বসেছি।
বিপ্র : কোথায়?
ব্রজ : কোথায় মানে?
বিপ্র : মানে কোথায় অাছেন এখন, খেয়াল অাছে?
ব্রজ : কলেজ স্কোয়ার।
বিপ্র : অাজ্ঞে ঠিক ধরেছেন। তবে কলেজ স্কোয়ারের কোথায়?
ব্রজ : কেন, গাছের তলায়।
বিপ্র : গাছের তলায় মাটিতে?
ব্রজ : মাটিতে…না তো, তক্তপোষে।
বিপ্র : যে সে তক্তপোষে নয়, অাপনার নিজস্ব পেটেন্ট করা ছাড়পোকাপোষে।
ব্রজ : নিজস্ব নয়, পৈতৃক।
বিপ্র : ইয়েস পৈতৃক।
ব্রজ : বাট হাউ?
বিপ্র : একবার নীচে তাকান।
ব্রজ : তাকালাম।
বিপ্র : কী দেখছেন?
ব্রজ : বসে অাছি।
বিপ্র : কীসের উপর?
ব্রজ : পিঁড়িমোবিল।
বিপ্র : নাকি পৈতৃক ছাড়পোকাপোষ?
ব্রজ : বাবা বিপ্র?
বিপ্র : অাজ্ঞে?
ব্রজ : বিপ্র বলে ডাকলে ক্ষতি নেই তো?
বিপ্র : না না, বলুন বলুন।
ব্রজ : বলছি, অামি যাকে বলে একটু ঘেঁটে গেছি।
বিপ্র : গেছেন?
ব্রজ : গেছি।
বিপ্র : ঘ হননি তো?
ব্রজ : অত অবধি যাইনি, তবে যেতে চলেছি।
বিপ্র : কেন বলুন তো?
ব্রজ : কেন অাবার? তুমিই একটু অাগে বললে যে অামি নিজস্ব…
বিপ্র : পৈতৃক।
ব্রজ : ইয়েস, পৈতৃক ছাড়পোকাপোষে শুয়ে ছিলাম। অাবার এখন বলছো পিঁড়ির উপর বসে অাছি। কিন্তু অামি তো স্রেফ উঠে বসেছি, নড়িনি তো। স্ক্রিপ্ট দেখ, প্রমাণ অাছে।
বিপ্র : জানি।
ব্রজ : তাহলে? এ কী করে হয়?
বিপ্র : কী করে অাবার। ছিল রুমাল, হয়ে গেল বেড়াল।
ব্রজ : দেখ হে, সুকুমার কপচিও না। উনি গ্রেট ম্যান। খোলসা করে বল দেখি ব্যাপারটা।
বিপ্র : ছিল ছাড়পোকাপোষ, হয়ে গেল পিঁড়িমোবিল।
ব্রজ : মানে?
বিপ্র : মানেটা নিতাইকেই জিজ্ঞেস করুন না। সাইকেল না পেয়ে ব্যাটা অাপনার বাসায় অাসে। অাপনাকে না পেয়ে ভুলো দ্য ডগকে লাগিয়ে ছাড়পোকাপোষকে পিঁড়িমোবিলে কনভার্ট করে তারপর সোজা শিয়ালদা পৌঁছোয়।
ব্রজ : মানে অামার পৈতৃক ছাড়পোকাপোষকে হতভাগা কনভার্টিবেল বানিয়েছে? সাহস তো কম নয়।
বিপ্র : কী মুশকিল, নিতাইয়ের কী অত ইয়ে অাছে? ওটা ভুলো দ্য ডগের কেরামতি।
ব্রজ : বলছ কী হে ছোকরা। ভুলো দ্য ডগ পিঁড়িমোবিল বানিয়েছে?
বিপ্র : তা নয়তো বলছি কী?
ব্রজ : বাট হাউ?
বিপ্র : শুধু তাই নয়। ভিত্তোরিও কোথায় অাছে, সে ব্যাপারে ভুলো সাহায্য করতে পারে।
ব্রজ : কীভাবে?
বিপ্র : সেটা ওকেই জিজ্ঞেস করে দেখুন না।
ব্রজ : হেল্প করবে?
বিপ্র : অালবাত। মুখিয়ে অাছে।
ব্রজ : কীভাবে বুঝলে?
বিপ্র : সকাল থেকেই তো অাপনাদের বলার চেষ্টা করছে। নিতাই শুনেও বুঝছে না, অার অাপনি শুনেও পাত্তা দিচ্ছেন না।
ব্রজ : পাত্তা দিচ্ছি না? মানে বুঝছি?
বিপ্র : চেষ্টা করলেই বুঝবেন। অামি তো বুঝছি।
ব্রজ : তুমি অার অামি?
বিপ্র : কী মুশকিল, অামি তো অাপনারই সাবকনশাস সত্ত্বার এক বহিপ্রকাশ। অামি যা জানি, বাই এক্সটেনশন অাপনিও জানেন।
ব্রজ : কিন্তু ভাই বিপ্র?
বিপ্র : বলুন।
ব্রজ : ভুলো দ্য ডগ?
বিপ্র : তাতে মুশকিল কী? ভারি ফ্র্যাঙ্ক অাদমি।
ব্রজ : কিন্তু, মানে, মাইন্ড করো না, কুকুর-বেড়াল-ইত্যাদি অামিও ভালবাসি।
বিপ্র : তা তো বাসেনই।
ব্রজ : কিন্তু ভুলো তো কুকুর। সে কীকরে…
বিপ্র : ব্রজদা। অাজ সকালে কার সঙ্গে অালাপ হল অাপনার? কোন অাঁশালো চারমূর্তিকে অাপনি ট্রেনে তুলে দিলেন?
ব্রজ : সে তো চারপিস বোয়ালমাছ…ও।
বিপ্র : বুঝেছেন?
ব্রজ : বুঝেছি। সমঝা। ভুলো কুকুর বলে কি মানুষ নয়?
বিপ্র : ব্রজদা?
ব্রজ : বল।
বিপ্র : অামি এবার অাসি। কিন্তু যাওয়ার অাগে, বাই ট্র্যাডিশন, একটা কথা বলে যাই।
ব্রজ : অনেকগুলোই তো বললে। এই এডিশনটা প্রায় পুরোটাই দখল করে নিলে।
বিপ্র : থুড়ি। ওটা অনিচ্ছাকৃত। ডোন্ট মাইন্ড।
ব্রজ : হ্যাঁ তা তুমি এস। অামি যাই ভুলো কুকুরের সঙ্গে…
বিপ্র : ভুল করছেন। ওটাই বলতে চাইছিলাম। ভুলো দ্য ডগ কুকুর নয়।
ব্রজ : অ্যাঁ?
বিপ্র : হ্যাঁ।

ক্লিফহ্যাঙ্গার যাকে বলে অার কি।

— —
সোমদেব ঘোষ, ২০১৫-১১-১০, কলিকাতা শহর।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s