চিত্রগুপ্ত যত্ন করে গুপ্ত কক্ষ থেকে গুপ্তচিত্রটি বের করে অানলেন। ব্যস্ত মানুষ, ইধার কা ম্যান উধার, উধার কা উও ম্যান ইধার করেই তাঁর দিন কাটে। এরকম করেই বহুকাল চলেছে, দিব্যি খাতা বাগিয়ে কলম পিষে দিনগুলি কাটে যাচ্ছিল। নিত্যনতুন লোকেদের সঙ্গে অালাপও হত, কত কিছু জানতে পারতেন। এই তো, এই কিছুদিন অাগেই, এসেছিল ছোকরা। বলে কিনা, তার নাম নাকি জ্যাক। চিত্রগুপ্ত খাতা মিলিয়ে দেখেন, কোথায় জ্যাক? নাম তো অন্য, বিশাল নাম, অনেকগুলো চ্যালা-চামুন্ডা নামের সঙ্গে ঝুলে পড়েছে, তায় অাবার কীসের নাকি প্রেসিডেন্টও। চিত্রগুপ্ত তাঁর পেটেন্টেড জেরা শুরু করলেন।

চিগু : অ্যাই ছোকরা।
জ্যাক : অাই অ্যাম নট এ ছোকরা। অাই অ্যাম এ প্রফেস…
চিগু : বুয়েছি বুয়েছি, পেশাদার লোক। তো কী করা হয়…

এখানে বলে রাখা ভাল, কার্ল এবং সিগমুন্ডের সঙ্গে গোপন পরামর্শ এবং হাই লেভেল মিটিঙের পর চিত্রগুপ্ত…

— এক্সকিউজ মি।
— ইয়েস?
— অাপনিই কি শ্রীঘোষ?
— ইয়ে, মানে, হ্যাঁ। কী চাই?
— একটু কথা অাছে।
— ও। তা, মানে, বুঝতেই পারছেন, একটু ব্যস্ত অাছি…
— সেটা নিয়েই তো কথা।
— ও। তা, বলুন, এসেই যখন পড়েছেন…
— হ্যাঁ, বলি বরঞ্চ, কী বলেন?
— নিশ্চই নিশ্চই, বলে ফেলুন। তবে কিনা, একটু, ইয়ে, তাড়াতাড়ি…
— কেন, অাপনি ব্যস্ত বুঝি?
— যাঃবাবা, অাপনিই তো বললেন অামার ব্যস্ততা নিয়েই কথা বলবেন।
— তাই বলেছি বুঝি?
— কী জ্বালা, এই তো একটু অাগেই বললেন। লেখাও অাছে, সাত লাইন অাগে।
— ডকুমেন্টারি এভিডেন্স ইজ নট অ্যাডমিসিবল্ ইন ল অব কোর্ট।
— ডকুমেন…মানে? অালবাত অ্যাডমিসিবল্। বললেই হল? চলুন তো কোর্টে, দেখাচ্ছি…
— অাহা, চটছেন কেন? অামি কী বললাম, ঠিক করে শোনেননি। দুলাইন অাগে লেখা অাছে, দেখে নিন। অামি বললাম…
— “ডকুমেন্টারি এভিডেন্স ইজ নট অ্যাডমিসিবল্ ইন ল অব কোর্ট”। এটা সর্বৈব মিথ্যা।
— লেখাই তো ছিল ওপরে, অাবার কপি-পেস্ট করতে গেলেন কেন?
— অাপনাকে অামি…
— কী করবেন? পেটাবেন? ও মুরোদ অাপনার নেই। বলি কাউকে কোনদিন পিটিয়েছেন কখনো? অাপনার ওই ল্যাক্টোজেন-খাওয়া চেহারা নিয়ে? ছোঃ।
— অামি রাগবাবুকে ডাকব। তিনিই…
— পেটাবেন? সে গুড়ে বালি…
— জ্যাগারিতে স্রেফ স্যান্ড।
— রাখুন অাপনার বরয়োড সেয়িং। রাগবাবু ওয়াটার-পটাসিয়াম রাগ করেন এটা সবাই জানে এখন। সবাই বলতে যে কতিপয় ব্যক্তি অাপনার ব্লগ পড়ে। রাগবাবু রেগে গিয়ে পেটান কিনা, সেটা পাঠকও জানে না, রাগবাবু নিজেও জানেন না, এমনকি অাপনিও জানেন না।
— দেখুন মশাই, এটা কিন্তু ঠিক হচ্ছে না। অনেক মালমশলা জোগাড় করে, সকালে দাঁত মাজতে মাজতে প্লট পেয়ে চিত্রগুপ্তকে নিয়ে লিখতে বসেছি, অার অাপনি কিনা মাঝখান থেকে…
— বাগড়া দিলুম?
— বাগড়া তো দিলেনই।
— মানে প্লট হারিয়েছেন?
— প্লট? না মানে, তা ঠিক নয়।
— সকাল থেকে কতবার চা হল?
— ইয়ে, দুবার।
— দারুণ তো, মাথা জেটপ্লেনের স্পীডে ছুটবে। লিখে ফেলুন।
— ফেলব?
— ফেলবেন বৈকি। হোয়াট অার ইউ ওয়েটিং ফর।
— ইয়ে, মানে, থ্যাঙ্কস। অাপনি না থাকলে অাজ…নাউ ওয়েট জাস্ট এ মিনিট।
— কিছু বলছেন?
— কিছু বলছি মানে? অাপনি…ধুত্তেরি, বাংলায় ক্যাপস্-লক কীভাবে অন করে। অামি যে শাউট করছি কীভাবে বোঝাব?
— বাংলায় ক্যাপস্-লক হয় না। অাপনি চালিয়ে যান, পাঠক বুদ্ধিমতি, ঠিক ধরে ফেলেছেন।
— বলছেন? বেশ। তো কী যেন কথা হচ্ছিল…
— ওই যে, অাপনি চিত্রগুপ্তকে নিয়ে লেখার চেষ্টা করছিলেন।
— ও হ্যাঁ, লিখি গিয়ে, কী বলেন?
— অবশ্যই অবশ্যই, লিখবেন না তো কি অাজকের দিনে এক বছর অাগের কথা ভেবে মুষড়ে পড়বেন?
— না, সেটা বোধহয়…
— কোন দরকার নেই। তার চেয়ে লিখুন, হাসি ডিস্ট্রিবিউট করুন, নট স্যাডনেস। অাপনার লেখা পড়ে এনাফ লোক হাসাহাসি করেন, চিন্তা নেই।
— করেন?
— অালবাত।
— যাক। মনে ভরসা পেলুম। লেখা নিয়ে যখন হাসাহাসি…ওয়েট, লেখা “নিয়ে হাসাহাসি”? লেখা পড়ে হাসাহাসি নয়?
— দেখুন শ্রীঘোষ, অাপনার বাংলা খুব একটা স্ট্রং নয় অাপনিও জানেন, অামিও জানি।
— তা বটে।
— তাহলে কথার মানে নিয়ে অত ভাবছেন কেন? লিখে যান।
— যাই বলুন? চিত্রগুপ্ত ওয়েট করছেন…
— দাঁড়ান দাঁড়ান, ওই জন্যই তো অাসা।
— চিত্রগুপ্ত?
— ইযেস, চিত্রগুপ্ত।
— কেন, কী হয়েছে? চিত্রগুপ্ত তো পাবলিক ডোমেনে বলেই জানি। কপিরাইট অাইন লঙ্ঘন করছি নাকি?
— কপিরাইট-কপিলেফ্ট-অাপ-ডাউন কিছুই লঙ্ঘন করছেন না। অামি এসেছি চিত্রগুপ্ত মহাশয়ের লীগ্যাল কাউন্সেল হিসাবে।
— ওরে বাবা, অামি কিছু করিনি, দোহাই নোটিস দেবেন না। অামি অার ওনাকে ঘাঁটাবো না, সত্যি বলছি। এই কান ধরে বলছি…
— অাঃ, করছেন কী? এই বুড়ো বয়সে এসব সাজে? কে বলল অামি নোটিস দিতে এসেছি। লইয়ার মানেই কি নোটিস দিয়ে বেড়াব?
— না মানে যেভাবে বললেন…
— অারে না না, অামি এসেছি কারণ অামি চিত্রগুপ্তের বন্ধুও বটে। ওনার অাপনাকে একটা কথা বলার ছিল, কীভাবে বলবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না। তাই অামাকে পাঠালেন।
— কেন, উনি নিজে বলতে পারতেন না?
— বলতে পারবেন না কেন, নিশ্চই পারবেন। তবে কী, এক্ষুনি ঠিক অাপনার সঙ্গে ডিরেক্ট কথা বলতে চাইছেন না।
— হুম, উনি বিগ ম্যান, বিজি পারসেন, অামার মতো ছাপোষা নিশ্ছাগল লোকেদের সঙ্গে…
— অারে রাখুন অাপনার সেল্ফ-পিটি। ডিটেক্টিভ পারো জানতে পারলে পিটিয়ে দেবে অাপনাকে।
— না না, ডিটেক্টিভ পারো খুব ভাল মানুষ…এক সেকেন্ড, অাপনি ডিটেক্টিভ পারোর কথা কীকরে জানলেন? ওনাকে তো এখনও…
— …ব্রজবুলির পাতায় দেখা যায়নি? জানি, জানি, সব জানি। কীভাবে জানি সেটা অাপনি অাপনার টপ ফ্লোর থেকে গোবর অার ঘুঁটের পারসেন্টেজটা কমিয়ে না দিলে বুঝবেন না।
— টপ ফ্লোর? ফ্ল্যাট তো। একটাই তো ফ্লোর।
— ঠিক ধরেছেন। বিলকুল। অব্যর্থ নিশানা। অাপনি ওয়াটের পো তো নন, অ্যাক্কেবারে সন অফ পো।
— দেখুন, কী যে বলছেন সব ট্যান হয়ে যাচ্ছে। খুলে বলুন তো, অাপনি কে, কেন এসেছেন? অামার গুল্প ঠান্ডা জল হয়ে গেল যে।
— গুল্প কি চা, যে ঠান্ডা জল হয়ে যাবে? নিন নিন, অাসল চা পাশে রয়েছে, খেয়ে নিন।
— তা খাব। তার অাগে অাপনি বলুন, হু অার ইউ।
— সে তো বললামই একটু অাগে। অাপনার মেমরিটাও…
— ও হ্যাঁ, তাই তো। থুড়ি। চা-মুড়ি খেতে গিয়ে ভুলে গিছলাম।
— ভুলে তো যাবেনই। অাপনি না ভুললে কে ভুলবে? সেদিন যেমন পাটুলি গিয়ে রাস্তা ভুলে…
— অাঃ, অাস্তে, লোকে জানতে পারলে…
— কী হবে, অ্যাঁ, হবেটা কী?
— প্রেস্টিজ পাঙ্কচার হয়ে যাবে যে।
— থাক, অার পেস্টিজ পাঙ্কচার করে কাজ নেই। কী এমন সাংঘাতিক পেস্টিজ অাছে যে পাঙ্কচার হতে যাবে? তার খেয়ে-দেয়ে কাজ নেই, শুধুমুধু পাঙ…
— অাহা, ছাড়ুন না মশাই। প্রেস্টিজ নিয়ে টানাটানি কেন অাবার? অাপনি বলছিলেন চিত্রগুপ্ত অামার সঙ্গে দেখা করতে চান না। বাট হোয়াই? মানছি অামি নোবডি…
— অাবার সেল্ফ-পিটি?
— না না, কিছু বলি নি কিছু বলি নি। মানে, কেন দেখা করবেন না সেটা যদি একটু বুঝিয়ে বলেন।
— সত্যি বাপু। অাপনি এইসা বুদ্ধি নিয়ে কীকরে যে ইয়ে হলেন? শুনুন তাহলে, অাপনাকে সব কিছু স্পেল অাউট না করলে তো বুঝবেন না। চিত্রগুপ্ত মহাশয়ের কাজটা ঠিক কী?
— ওই তো, কীসব খাতায় কীসব লেখা-টেখা।
— কেন? মানে কেন লেখেন? জানেন?
— ইয়ে মানে, ঠিক…
— অাপনার ওই ইংরিজি মিডিয়াম স্কুলে পড়ার ফল। কিসুই ঠিকমত জানেন না। অার ওনাকে নিয়ে গপ্পো…
— গুল্প।
— গপ্প লিখতে এসেছেন। তাও একটা নয়, একেবারে সিরিজ!
— ভুল হযে গেছে, ক্ষমা করে দিন। অার কখনও হবে না।
— না না, লিখবেন বৈকি লিখবেন বৈকি। লিখবেন বলেই তো চিত্রগুপ্ত মহাশয় অামায় পাঠিয়েছেন।
— অাপনি ওনার অ্যাটর্নি?
— বার-অ্যাট-ল।
— তবে যে বললেন ডকুমেনটারি এভি…
— বুঝেছি, পুরোটা কপি-পেস্ট অার নাই করলেন। ওটা বুঝবেন না বুঝেইছিলাম। ভাল করে পড়ুন, কী বলেছি? “ডকুমেন্টারি এভিডেন্স ইজ নট অ্যাডমিসিবল্ ইন ল অব কোর্ট”।
— অাপনিই তো কপি-পেস্ট করলেন। অার অামি করলেই যতো…
— সেন্টু খাবেন না শ্রীঘোষ, এটা করা জরুরি ছিল। দেখুন, কী লিখেছি? শেষটা পড়ুন। ঠিক শোনাচ্ছে?
— ও, তাই তো। ভুল লিখেছেন তো। ইন কোর্ট অব ল হবে।
— ভুল লিখিনি। অ্যাডমিসিবল্ হল একটা অাইনি রিলেশনশিপ, মানে যাকে বলে রিশতা। ঠিক যেমন সন-ইন-ল, ডটার-ইন-ল, মাদার-ইন-ল হয়, তেমনই অ্যাডমিসিবল্-ইন-ল হয়। অার ডকু-এভি তো অার কস্মিনকালেও কোর্টের কোন রিশতেদার হয় না, তাই স্টেটমেন্ট ইজ কারেক্ট।
— অাপনি কি কোন পিজে ক্লাবের সদস্য? তাহলে অামাকেও মেম্বার করুন না, থার্ডক্লাস পিজে লিখতে একটু-অাধটু অামিও পারি।
— অাপনি অলরেডি মেম্বার, চিঠি পাননি? যাকগে, বাজে কথা অনেক হল, যা বলতে এসেছিলুম বলে যাই। চিত্রগুপ্ত মহাশয় অাপনাকে বলতে বলেছেন যে ওনাকে বার বার চিত্রগুপ্ত নামে সম্বোধিত করলে ওনার ডীপথেরিয়া হয়।
— ডিপথেরিয়া?
— না, ডীপথেরিয়া। উইথ দীর্ঘ-ঈ। ডিপথেরিয়া তো চা-য়ে বিস্কুট চুবিয়ে খাব কিনা সেই ফিলোজফিকাল দ্বন্দ্বে পড়লে হয়। ওনার ইনসিকিওরেটি হয়েছে, মিড-লাইফ ক্রাইসিস-ও বলা যায়। গভীর ব্যাপার-স্যাপার। হেন্স, ডীপথেরিয়া।
— ব্রিটিশরা কিন্তু চায়ে বিস্কুট চুবিয়ে খায় না।
— খায় না?
— খায় না বলেই তো জানতুম।
— খায়। অালবাত খায়। জেসি-কে জিজ্ঞেস করুন, ও লন্ডন ছিল, ও জানবে।
— জেসিকে পরে জিজ্ঞেস করব, অমাবস্যা থাকলে ও বড্ড স্যাড হয়ে থাকে। চাঁদ উঠুক, তারপর।
— স্যাড কোথায় হয়? দিব্যি তো বলে-ফিরে-হেসে বেড়াচ্ছে।
— দেখুন মশাই, বন্ধু অামার, টুয়েন্টি ইয়ারস, অাই নো।
— টুয়েন্টি হয়নি এখনও…
— হতে চলেছে। অারও টুয়েন্টি কেন, ফর্টি-সিক্সটি-এইটটি হবে, অাপনার কী?
— অাচ্ছা অাচ্ছা, সেনসিটিভ হয়ে পড়ছেন কেন? যা বলছিলুম, চিত্রকে ফুল নেমে না ডেকে এবার থেকে চিগু বলেই ডাকুন, বেচারা একটু এনথু পাবে।
— এইটুকু বলতে এসেছিলেন?
— এইটুকু বলতে এসেছিলেম।
— অার তাই বলতে গিয়ে অামার অাজকের গুলপোটা হাইজ্যাক করে ছাড়লেন?
— হাইজ্যাক তো এই সিরিজের পরের লেখাটা হবে, অামি তো ছোট্ট করে সেট-অাপ করে দিলুম জাস্ট।
— সত্যি মশাই, অাপনাকে দেখতে পেলেই অামি এবার জিজিপিএল-কে ডাকব।
— জিজিপিএল বুঝি সুপারহিরো? অাপনাকে সেভ করবেন?
— মানুষ সেভ করাটাই ওনার নেশা-পেশা সবই।
— তো কীরকম সুপারভিলেনের হাত থেকে উনি সেভ করেন শুনি?
— মানুষকে নিজেকে নিজের থেকে।
— মানুষকে নিজেকে নিজের থেকে? বুঝলাম না।
— সে যদি বুঝতেন, তাহলে জিজিপিএল-এর মর্ম বুঝতেন। অাপনি এবার অাসুন। দিলেন তো পুরো লেখাটাই মাটি করে, অাবার প্রথম থেকে শুরু করতে হবে কালকে।
— কাল না করলেও হবে। তবে করবেন যেন।
— হ্যাঁ, লেখা নষ্ট করে বাবুর ভাল সাজা হচ্ছে? এবার দয়া করে অাসুন। অার যাবার অাগে অাপনার পরিচয়টা দিয়ে যান।
— বললুম তো, ফ্রেন্ড অফ চিগু। বার-অ্যাট-ল। অবিশ্যি অামার অারেকটা পেশাও অাছে, তবে সেটাকে পেশা না বলে নেশা বলাই শ্রেয়। অামি হচ্ছি ফাউন্ডিং ফাদার, সোল সেয়ারহোল্ডার, পারমানেন্ট প্রেসিডেন্ট, টেম্পোরারি ট্রেজারার, অার সিওর সিইও অফ দ্য ইউনিভার্সাল ইনফরমেটিভ ইনস্টিটিউট ফর দ্য অ্যাব্রিভিয়েশন অফ অ্যালিটারেটিভ অ্যালফাবেটস অ্যান্ড দ্য ডিসকমবোবুলেটারি ডিস্ট্রিবিউশন অফ অ্যাফোরমেনশন্ড অ্যাব্রিজমেন্টস।
— অ্যাঁ?
— ঠিক ধরেছেন। ছোট্ট করে “অ্যাঁ”।


উইদাউট পারমিশন ফ্রম সামো, শগু অ্যান্ড ডিডিটিএস। ডোন্ট মাইন্ড প্লীজ।


— —
সোমদেব ঘোষ, ২০১৫-১১-১৩, কলিকাতা শহর।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s