বিধুজ্যাঠার জিকে : মার্কেটরের ম্যাপ

— গ্রীনল্যান্ড বড়, না অাফ্রিকা বড়?
— মানে?
— মানে সাইজে। গ্রীনল্যান্ড, না অাফ্রিকা?
— কী বলছেন বিধুজ্যাঠা, এ অাবার প্রশ্ন হল? ভুগোল ক্লাসে ভৈরবী অান্টির হাতে কত যে চড়-চাপড় খেয়েছি ইয়ত্তা নেই, কিন্তু এটা জানব না? অবশ্যই গ্রীনল্যান্ড বড়, ম্যাপ দেখলেই বোঝা যায়।

রেগুলার পাঠক বুঝতেই পারছেন কারা কথা বলছেন। যারা নতুন, তাদের সঙ্গে অালাপ করিয়ে দি। যিনি প্রথম প্রশ্নটা করেছেন তিনি বিধুজ্যাঠা। পুরো নাম বিধানচন্দ্র ভট্টাচার্য। অাপন জ্যাঠা নয়, পাড়াতুতো না বলে বরং পাশেরপাড়াতুতো বলা যেতে পারে, নেবারিংনেবারহূডজ্যাঠা। বিধুজ্যাঠার জেনারেল নলেজ কলেজবিখ্যাত। এসপেশালি বইয়ের বা গল্পের জ্ঞান, বিশেষ করে গোয়েন্দা গল্পের জ্ঞান। ইদানীং ম্যাপ-ট্যাপ নিয়ে চর্চা করছেন। হরলিক্সভক্ত লোক, ডেলি সাত কাপ না হলে চলে না।

যাঁর ভুগোল জ্ঞানের বহর শুনে কোডোপাইরিন না খেয়ে গতি নেই, তিনি পুলুদা। অামার (রিয়েল) জ্যাঠতুতো দাদা। ভাল নাম পলাশচন্দ্র মিত্র, নিবাস ২৬ বনমালী নস্কর লেন, পেশায় মটোনবিশারদ, গোয়েন্দা কাহিনী লিখে পাড়াবিখ্যাত। কিন্তু, যেহেতু গোয়েন্দা গল্প লিখতে একটু হলেও রিসার্চ লাগে, তাই যখনই পারে হত্যে দেয় বিধুজ্যাঠার বৈঠকখানায়। দুজনের দিব্যি ঘুঁটে-গোবরে লেগে যায়।

অার অামার পরিচয়টাও দিয়ে রাখি। অামি রঞ্জনা মিত্র। জন্মের অাগেই বাবা অামার নাম ঠিক করে রেখেছিলেন দেবেন পরেশরঞ্জন মিত্র, শেষে ডেলিভারি রুমে ছেলের বদলে মেয়ে এসে পড়ায় একটু ফাঁপরে পড়েছিলেন। পুলুদার ওসব প্রবলেম নেই। অাদর করে–উইথ খান দুয়েক গাঁট্টা ফ্রী–ডাকে পার্শে। বিধুজ্যাঠা অাবার নাম ঠিক রাখতে পারেন না, তাই ওনার কাছে অামি ভেটকি-ত্যালাপিয়া-গুরজাউলি এটসেটেরা।

যাই হোক, গ্রীনল্যান্ড নিয়ে কথা হচ্ছিল। বিধুজ্যাঠা বলছেন, পুলুদা জবাব দেবেন, অামি শ্রোতা-কাম-স্টেনোগ্রাফার।

— গ্রীনল্যান্ড সাইজে বড়?
— অালবাত, ম্যাপ দেখেননি? ইয়া বড়। অাফ্রিকা সেদিক থেকে এইট্টুখানি।
— তোমার ভৈরবী অান্টির সঙ্গে একটু কথা বলতে হবে দেখছি। চড়-চাপড়ের মাত্রাটা যথেষ্ট হয়নি।
— অ্যাঁ? তার মানে অাফ্রিকা বড় বলছেন?
— ওরে গর্দভ, অবশ্যই বড়। ওটা মহাদেশ। পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ। এশিয়ার পরেই ওর স্থান। গ্রীনল্যান্ডের চেয়ে প্রায় চোদ্দ গুণ বড়।
— বলেন কী? কিন্তু ম্যাপে ওইরকম দেখায় যে?
— বাড়িতে গ্লোব অাছে?
— থাকবে না? অাপনারই তো বাবাকে দেওয়া একটা গ্লোব এখন বৈঠকখানা অালো করে বসে অাছে।
— গ্লোবে চেক করেছো, গ্রীনল্যান্ড বড় না অাফ্রিকা বড়?
— ইয়ে, না, মানে, তা করিনি কখনও।
— এই দেখ, গ্লোব। ঘুরিয়ে দেখ, কী মনে হয়? এই যে পাব্দা, তুমিও দেখ।
— অাফ্রিকা বড়।
— কনভিন্সড্?
— হুঁ। কিন্তু ম্যাপে গন্ডগোল কেন?
— সেটা ডিপেন্ড করছে ম্যাপের উপর।
— সে অাবার কী? ম্যাপ মানে ম্যাপ।
— ছোটবেলায়, যখন স্কুলে পড়তে হে পুলু, তোমার পরীক্ষার রেজাল্ট বেরনোর দিন। তোমার বাবা হঠাৎ অাপিসে অাটকা পড়েন, অামাকে বলেন স্কুলে যেতে, একজন অভিভাবক থাকা দরকার ছিল। স্কুলে গিয়ে তোমাদের ওই ভৈরবী অান্টির সঙ্গে দেখা হল। ওনার সঙ্গে সেদিন অনেক কথা হয়েছিল।
— ভৈরবী অান্টিকে অাপনি চেনেন?
— পন্ডিত মহিলা। উনিই অামাকে ম্যাপ নিয়ে চর্চা করার প্রথম মোটিভেশন দেন। তার অাগে ম্যাপ কয় প্রকারের, অামিও জানতুম না। উনিই ধরিয়ে দিলেন, পরে অামিও পড়াশুনো করে জানলাম।
— অারিব্বাস।
— পৃথিবীটা তো গোল?
— এই রে, তাই তো জানতুম। গোল না?
— পুরোটা নয়। একটু চ্যাপ্টা ধরনের।
— হ্যাঁ হ্যাঁ, কীরকম যেন কমলালেবুর মতো শেপ।
— ওটাকে বলে অবলেট স্ফেরয়েড।
— অমলেট কী?

সেরেছে। পুলুদা খাবারের গন্ধ পেলেই…

— অমলেট নয় পন্ডিতমশাই, অবলেট। ওই কমলালেবুর মতো শেপ।
— অ। অমলেট নেই? নেলোকে বলে যদি…
— হরগিজ নেহী। অাগে জিনিসটা জানো, বোঝো, ভাবো, তার পরে নেলো অ্যান্ড হিজ অমলেট।

এখানে বলে রাখি, নেলোদা অমলেটটি জবরদস্ত করে। গোটা দুয়েক–সেরকম মুড থাকলে তিনটে–ডিম দিয়ে লঙ্কা-টঙ্কা দিয়ে একটা যাকে বলে ইয়ে ব্যাপার। সকালের দুধ-কর্নফ্লেক্স প্রাতরাশ সেই কখন হ অার জ পার করে ম-এর শেষ সীমানায় পৌঁছে গেছে, অমলেট হলে, মানে যাকে বলে, খুব একটা মন্দ হত না। পুলুদার মুখটা দেখলাম কাল্পনিক ডিমভাজার স্বপ্নভঙ্গে সেই ডিমভাজারই অাদল নিল।

— পৃথিবীটা অবলেট স্ফেরয়েড। কেননা তার ভুঁড়ি অাছে। সে যদি রাগবি বলের মত অাবার মাথার দিকে–মানে উত্তর-দক্ষিণ মেরুর দিকে–ছুঁচলো হত, তাহলে তার নাম হত প্রোলেট স্ফেরয়েড।
— অবলেট-প্রোলেট। অবলেট-প্রোলেট। অবলেট-প্রোলেট। অবলেট-প্রোলেট।
— পরে মুখস্থ করবে। এখন শোন। তো বাড়িতে যে গ্লোব অাছে, দেখে মনে হয় অবলেট?
— না তো। বেশ তো ফুটবল কা মাফিক গোল। অামি তো ছোটবেলায় একবার ফুটবলের অভাবে গ্লোব নিয়েই…

সে গল্প পরে একদিন। অামি তখন অান্ডার কন্সট্রাকশন, তাই এমনিতেও সেকেন্ডহ্যান্ড শোনা গল্প।

— গ্লোবে বিভিন্ন দেশের অাকৃতি ও অায়তন নিখুঁতভাবে বর্ণন করা সম্ভব। গোলাকার পৃথিবী, গোলাকার গ্লোব।
— ওই যে বললেন পৃথিবী গোল নয়। অমলেট…
— অবলেট। ওটায় ঝামেলা নেই। অাকৃতি অায়তন পাল্টাবে, কিন্তু অতটা নয়, অার সেটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ম্যাপ সেদিক থাকে চ্যাপ্টা, ফ্ল্যাট। কোন গোলাকার অাকৃতিকে সম্পূর্ণ নিখুঁতভাবে কখনই চ্যাপ্টা করা যায় না, একটা গাণিতিক উপপাদ্য অাছে…
— গাণিতিক কী অাছে?
— উপপাদ্য। থিওরেম। জ্যামিতি করোনি কখনো?
— না মানে করেছি, ওই কীসব রাইডার-এক্সট্রা…
— থাক। বুঝেছি। কার্ল গাউসের উপপাদ্য। তাঁর থিওরেমা এগরেগিউমে তিনি বলে গেছেন যে কোন গোলক বা গোলাকার বস্তুকে বিকৃত না করে সমতলে রূপান্তরিত করা যায় না।
— অ্যাঁ?

চক্ষু চড়কগাছ ব্যাপারটা প্র্যাক্টিকালি কাকে বলে পুলুদাকে না দেখলে টেরই পেতাম না। অাশ্চর্য নয়, বিধুজ্যাঠা যা কামান দাগলেন, একো করতে করতে উমবের্তো হয়ে গেল। দেখলাম অামাদের টেরিয়ে যাওয়া চোখ দেখে ওনারও কিঞ্চিত অনুকম্পা হল।

— মানে ধরো তোমার ওই ফুটবল। মাঝখান থেকে যদি কেটে অর্ধেক করে দি, তারপর ভিতরের যে ব্ল্যাডারটা অাছে সেটাকে বের করে…
— অাহা, ফুটবলটা কী দোষ করলো?
— …যদি চেপে চ্যাপ্টা করতে চাই, পারবো?

পুলুদা অার অামি দুজনেই মাথা নাড়লাম। পুলুদা ডান-বাঁ, অামি উপর-নীচ। বিধুজ্যাঠা অামার দিকে চোখ কুঁচকে তাকিয়ে বললেন, “কীহে ট্যাংরা, হ্যাঁ বলছো যে বড়?”

“টেনেটুনে করলেই হয়,” অামিও সোজা জবাব দিয়ে দিলুম।

দেখলাম কুঁচকোন চোখটা অাস্তে-অাস্তে একটা হাল্কা হাসিতে পাল্টে গেল।

“রাইট ইউ অার পার্শে! একদম ঠিক বলেছ। এই নেলো, এদের জন্য দুটো অমলেট নিয়ে অায়, অার অামার হরলিক্সটা।”

পার্শে নামে ডাকা মানে উনি খুব খুশি হয়েছেন। অমলেট পেলুম, খারাপ কী? পুলুদাও দেখলাম অামার দিকে “অাই ও ইউ ওয়ান” দৃষ্টিতে তাকিয়ে অাছে। অামিও একটা “ওয়ান কীসের, চারশো চুয়াল্লিশ চলছে” গোছের একটা রিটার্ন স্মাইল দিয়ে দিলুম।

“পার্শে ঠিকই বলেছে,” গরম হরলিক্সে চুমুক দিতে দিতে বললেন বিধুজ্যাঠা। “কোন গোলাকার বস্তুকে না টেনেটুনে, মানে তার অাকৃতি এবং অায়তন না পাল্টে কখনই চ্যাপ্টা করা যায় না। উল্টোটাও ঠিক। তাই তো ম্যাপ তৈরী করতে এত ঝামেলা।”

“টেনেটুনে চ্যাপ্টা করলে শেপ অার সাইজ, দুটোরই একইসঙ্গে বারোটা বাজবে, নাকি কোন একটা জলাঞ্জলি দিয়ে অন্যটাকে ঠিক রাখা যায়?”

নেলোদার হাতে যাদু অাছে। অমলেট খেয়ে পুলুদার ঘটে ঘি-ঘুঁটের রেশিয়ো এরকম হঠাৎ পাল্টে যাবে কে বা জানতো?

বিধুজ্যাঠাও দেখলাম বেশ ইম্প্রেসড্। হরলিক্সটাকে এক চুমুকে নিঃশেষ করে দিয়ে খোশ মেজাজে বললেন, “বাবেশ বাবেশ, ভাল বলেছো তো। একদম ঠিক। অাকৃতিকে জলাঞ্জলি দিয়ে অায়তন ঠিক রাখা যায় বৈকি, বা অায়তন বিসর্জন দিয়ে অাকৃতি। ঠিক যেমন করেছিলেন ফ্লেমিশ ভৌগোলিক এবং মানচিত্রকার জেরারডুস মার্কেটর, ১৫৬৯ সালে।”

মনে পড়ল, অ্যাটলাসে–অক্সফোর্ড স্কুল, এডিশন ৩২–এইটে পড়েছিলুম বটে। মার্কেটর প্রোজেকশন কি? জিজ্ঞেস করলাম।

“ইয়েস, মার্কেটর প্রোজেকশন। রাইট এগেইন, পার্শে। গোলাকার গ্লোবে অাঁকা পৃথিবীর ছবিকে ফ্ল্যাট ম্যাপ অাকারে পেশ করা। মার্কেটর গাউসের উপপাদ্য জানতেন না, কারণ উপপাদ্যটি তাঁর অাড়াইশো বছর পরে লেখা হয়েছিল। কিন্তু এটুকু জানতেন যে গোল থেকে চ্যাপটা বিকৃতি ছাড়া সম্ভব নয়। উনি কী করলেন দ্যাখো…”

এই বলে বিধুজ্যাঠা একটা বড় চার্ট পেপার বের করে গ্লোবটাকে এমনভাবে মুড়ে দিলেন যাতে সেটি একটি চোঙার অাকার নিল, যার অক্ষরেখাটি উত্তর-দক্ষিণ বরাবর বিস্তীর্ণ।

“পুলু, এদিকটা ধরো তো। এবার দেখো, অামি যদি এবার গ্লোবের প্রতিটি অংশ এই চার্টপেপারে প্রক্ষেপ–মানে প্রোজেক্ট–করি, অার তারপর কাগজটা সোজা করে মেলে ধরি…পুলু, পাতো তো…ম্যাপ তৈরী। বুঝতেই পারছো বিষুবরেখা বরাবর বা তার খানিক উত্তর বা দক্ষিণ অবধি ঠিকঠাকই থাকবে।”

পুলুদা ও অামি দুজনেই মাথা নাড়লাম। এবার দুজনেই কনসেনসাস, উপর-নীচে।

“কিন্তু যত উপরে, মানে উত্তরে যাব, বা যত দক্ষিণে নামব, ততই অাকৃতির বেশ গন্ডগোল শুরু হবে।”

নিঃসন্দেহে।

“ইউরোপ রাশিয়া ইত্যাদি পুব-পশ্চিমে টেনে ইয়া বড় হয়ে যাবে।”

তার মানে একেবারে মেরুদুটোয় পৌঁছলে তো…

বিধুজ্যাঠা অামার অনুচ্চারিত প্রশ্নটাকে যেন জন্টি রোডসের মতো লুফে নিয়ে…

{কী? মেয়ে বলে ক্রিকেট ভাল বাসতে পারি না বুঝি? ক্রিকেটের ইতিহাস অামার মুখস্থ হুঁ হুঁ।}

…লুফে নিয়ে বললেন, “তাই উত্তর অার দক্ষিণ মেরু অার জ্যামিতিক বিন্দু বা জিওমেট্রিক পয়েন্ট রইল না, উল্টে তারা অনন্তে বিলীন হয়ে গেল।”

এই ম্যাপ অ্যাটলাসে বহু দেখেছি, বাড়িতেও দেয়ালে ঝুলত এককালে। ওই অ্যান্টার্কটিকা যে ইনফিনিটি অবধি চলে গেছে, সেটা কখনই লক্ষ্য করিনি।

“এই প্রোজেকশনের নাম মার্কেটরের প্রোজেকশন। এটি একধরনের সিলিন্ড্রিকাল প্রোজেকশন। মার্কেটর এটি ব্যবহার করে সেই ১৫৬৯ সালে একটি ম্যাপ বানান, গালভরা নাম দেন <নোভা এট অাউকটা অর্বিস টেরে ডেস্ক্রিপটিও অাড উসুম নাভিগানটিউম এমেনডাটে অাকোমোডাটা>, যার বাংলা করলে দাঁড়ায় <নৌচালনায় ব্যবহারের জন্য সঠিকরূপে উপযোগী করে পার্থিব গোলকের নয়া এবং অারও সম্পূর্ণ প্রতিরূপ>।”

পুলুদা ডজনখানেক খাবি খেয়ে ধরা গলায় বলতে বাধ্য হল, “এর মানে কী?”

“এর মানে এই ম্যাপ নাবিকদের খুব কাজে অাসবে, বা এসেছিল, সাড়ে চারশো বছর অাগে। এখনও অাসে। নৌচালনায় এর গুরুত্ব অসীম,” চার্ট পেপারটি গুটিয়ে রেখে বিধুজ্যাঠা বললেন।

“কিন্তু গ্রীনল্যান্ড?” পুলুদার গলা থেকে চিঁচিঁ শব্দ বেরোল।

“ম্যাপে দেখো,” বলে বিধুজ্যাঠা একটি ম্যাপ তাঁর সংগ্রহ থেকে বের করে মেলে ধরলেন, “গ্রীনল্যান্ডকে লাগছে না অাফ্রিকা থেকে অনেকাংশে বড়? এইটে এই ম্যাপের নেগেটিভ পয়েন্ট, অাকৃতি ঠিক রাখে,কিন্তু অায়তনের–অর্থাৎ এরিয়ার–ঠিক-ঠিকানা থাকে না। এর ঠিক উল্টোটা করার চেষ্টা করেছিলেন অার্নো পিটারস্…”

অামাদের চোখের লেভেল অফ ট্যারাফিকেশন দেখে অনুকম্পার সঙ্গে বিধুজ্যাঠা বললেন, “না থাক, পিটারস্ অারেক দিন হবে। একটা বাজে, স্নান-খাওয়া অাছে। তোমরা এসো। নেলো, জলগরম বসা।”

— —
সোমদেব ঘোষ, ২০১৫-১২-০১, দুপুর অাড়াইটে, কলিকাতা শহর।

Advertisements

2 thoughts on “বিধুজ্যাঠার জিকে : মার্কেটরের ম্যাপ

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s