𝅘𝅥𝅮𝅘𝅥𝅮𝅘𝅥𝅮 লেগেছে লেগেছে লেগেছে অাঅাঅাঅাগুননন… 𝅘𝅥𝅮𝅘𝅥𝅮𝅘𝅥𝅮

— হ্যাঁ বল।
— তোমার ছুটি হয়েছে?
— হুঁ, এই হচ্ছে।
— এত দেরী?
— একটা কাজ পড়ে গিছলো। কী হয়েছে বল।
— ট্যাক্সি তো পাবে না।
— না, তা পাবো না।
— ফিরবে কীকরে?
— ওলা ডাকবো।
— ধুসস, তাতে মজা নষ্ট।
— মানে?
— মানে চলো না, বাসে ফিরি।
— বাসে ফিরবি মানে…ওয়েট, তুই বাড়ি যাসনি?
— ইয়ে, মানে…
— পুলিইইই…
— অারে অামারও একটা কাজ পড়ে গিছলো।
— কাজ? তাই বুঝি? ছেলেটা কে?
— ছেলে? হোয়াট ছেলে? দেয়ার ইজ নো ছেলে। ছেলে কোত্থেকে অাসবে?
— ছেলেটাকে বল ইমিডিয়েট তোকে বাড়ি ড্রপ করতে। নাহলে তোর এবং তার কপালে দুখ্যু অাছে।
— অাঃ দিদি, কী যে বলো? ছেলে নয়, গড পমিস। এমনিই মাঠে বসে একটা বই পড়ছিলুম, কটা বাজে খেয়াল ছিল না।
— কী বই?
— একটা ম্যাপের বই। ঐতিহাসিক সব ম্যাপ অাছে। দারুণ বই। জানো…?
— থাম। নট নাউ। অামি এখন বেরোব। তুই ওখানেই থাক। অামি ওলা নিয়ে অাসছি।
— বাইরের অাকাশটা দেখেছো?
— অ্যাঁ? দাঁড়া হোল্ড কর, শুনতে…অ্যাই বড়ালদা, অামি এগোলুম। ব্রীফটা কালকে তাহলে? ঠিক অাছে? হ্যাঁ দশটার মধ্যে ঢুকে যাব, অামি অলওয়েজ পাঙ্কচুয়াল। ট্যাক্সি নেই তো কী, ওলা নিয়ে নেব। বড়ালদা, অাসি…ছাতা? এই ডিসেম্বরে ছাতা? কী যে বলেন…
— দিদি।
— পুলি এক মিনিট। ছাতা নেই। কেন, বৃষ্টি তো চেন্নাইতে হচ্ছে। অাসি অাজ…পুলি, বেরোলাম রে, সরি, বল।
— দিদি, বড়ালকাকা ঠিকই বলছিলেন।
— হি হি, বড়ালকাকা শুনলে উনি ভয়ানক রেগে যান…মানে? ঠিক বলছিলেন মানে…ও মাই গড।
— বাইরে এসেছো?
— এসেছি।
— বুঝলে?
— এ যে মেঘ করেছে রে।
— করেছেই তো। অনেকক্ষণ ধরেই।
— অার মেঘ ডাকছে যে।
— ডাকছেই তো। অনেকক্ষণ ধরেই।
— অার বৃষ্টি তো হব-হব করছে।
— করছেই না, করেছে।
— মানে?
— মানে এখানে এক্ষুনি এক পশলা হয়ে গেল।
— পুলি। ডিসেম্বরে বৃষ্টি?
— ডিসেম্বরে বৃষ্টি।
— জন্মে শুনিনি রে।
— এই দেখলে।
— এ যে চেন্নাই হয়ে যাবে রে।
— না, তা বোধহয়…
— হবে না? ওই এল নিনো ফিনো…
— অাহা, এটা তো বাইরের দিকটা। বেশি কিছু হবে না। দুয়েক পশলা বৃষ্টির উপর বেরিয়ে যাবে।
— কী দিনকাল পড়ল অ্যাঁ? ইদিকে চেন্নাইয়ের বন্ধুগুলোর যে কী হল…
— ফেসবুক খোলনি?
— দেখ পুলি…দাঁড়া, ওলার ফোন এসেছে। অামি করছি তোকে।


 

𝅘𝅥𝅮𝅘𝅥𝅮𝅘𝅥𝅮 অাজি ঝরঝর মুখর বাদর দিনেএএ… 𝅘𝅥𝅮𝅘𝅥𝅮𝅘𝅥𝅮

— ওলা পেয়েছিস?
— পেলাম। এখানেও নেমেছে, বেশ হেভি। কি ভাগ্যি ক্যাবটা এসে গেল। ছাতা নেই, ভিজে ন্যাতা হতাম।
— ফেসবুক খোলনি?
— তুই জানিস অামি কাজের সময়…
— অ, বুঝেছি। তোমার সব বন্ধু মার্কড্ সেফ ইন চেন্নাই। হ্যাভ নো ফিয়ার।
— সত্যি? অামি তো অার একটু হলেই ব্রেন্ডাকে…
— সে ঠিক অাছে, চিন্তাতে হবে না। ইশশ, ব্রেক অাপের পরেও কত দরদ।
— এই পুলি…
— ওকে ওকে সরি। ব্রেক অাপ ও করেছিল কিন্তু…
— সেটা ভয় পেয়ে। ওর দোষ নয়।
— একটু অাস্তে কথা বল, ক্যাব ড্রাইভার ভেবড়ে যাবে।
— সে যাক গে। খুব ভাল খবর শোনালি রে তাও। তুই রাখ, অামি ওদের ফোন করি একটু। অামি তোর ওখানে অার দশ মিনিটের মধ্যে রীচ করছি।
— ওকে। অামি মাঠেই অাছি।
— ঠীক হ্যায়। অামি বাইরে থেকে মিসকল দেব। রাখছি।


 

𝅘𝅥𝅮𝅘𝅥𝅮𝅘𝅥𝅮 অাজি ঝরঝর মুখর বাদর দিনেএএ… 𝅘𝅥𝅮𝅘𝅥𝅮𝅘𝅥𝅮

— এসে গেছো? এর মধ্যে? এক মিনিটও তো হয়নি।
— তুই মাঠে অাছিস মানে? কখন থেকে মাঠে অাছিস?
— সেই চারটে থেকে। বললামই তো, বই পড়ছিলাম।
— এখনও ওখানেই অাছিস?
— তো অার কোথায় যাবো?
— ওখানে বৃষ্টি পড়ছে না?
— পড়ছে তো। বেশ জোরে পড়লো একটু অাগেই, তুমি যখন ওই ওলার কাছ থেকে ফোন পেলে।
— অার তুই? তুই ওই বৃষ্টির মধ্যে বসে অাছিস? ছাতা অাছে?
— ছাতা? অার অামি? হ্যা হ্যা হ্যা।
— পুলিইইই…ইউ অার ফুলি।
— এই দিদি, ফুলি বলে গালাগাল দিবি না। দিব্যি এল নিনিয়োর বরে একটা পশলা পেলাম…
— দেখ হে মিস ফুলিফিতে, তুমি যতই ওয়াটারপ্রুফ হও, এটা ডিসেম্বর মাস।
— বৃষ্টি অামার কিস্যু করতে পারবে না, সে ডিসেম্বর হোক কি জু…
— জু…কী? কথা অাটকে গেল কেন?
— জুল…জুল…
— হোয়াট হেপেন মিস ফুলিফিতে?
— হোয়্যাঁচ্ছো!!!
— লেগেছে লেগেছে লেগেছে লেগেছে ঠান্ডাঅাঅাঅা…

— —
সোমদেব ঘোষ, ২০১৫-১২-০৩, সন্ধ্যা ছ’টা, কলিকাতা শহর।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s