তিন লাইনে…

১। গভীর রাতে শহরটা ছোট হয়ে যায়। ২। Come the morn The Trader's garb, shorn Was the British Raj born. ৩। The old beggar sat, joints creaking. "Life?", he frowned, "But I've dreamt it away." ৪। সপ্তসুরে স্বপ্নসঙ্গীত বাজে সুপ্তসুরে। ৫। দিনের শেষে ঘুমের দেশে নাইকো গেলেম ছদ্মবেশে। ______________________________ প্রথমটা লেখা মাসদুয়েক আগে। শেষদুটি লেখা…

Advertisements

পুলিপিঠের কান্ডকারখানা : প্রি-বিকেল কালবৈশাখি, পুবদিকের জানলা অার হেয়ারড্রায়ার

𝅘𝅥𝅮𝅘𝅥𝅮𝅘𝅥𝅮 লেগেছে লেগেছে লেগেছে অাঅাঅাঅাগুননন... 𝅘𝅥𝅮𝅘𝅥𝅮𝅘𝅥𝅮 -- কীরে, অাবার কী হল? এক্ষুণি তো ফোন করলি। -- ঝড় এলো গো, ঝড় এলো। কালবৈশাখি। -- এই ভরদুপুরে কালবৈশাখি? -- ওই হল, প্রি-বিকেল কালবৈশাখি। -- প্রি-বিকেল? -- মানে পোস্ট-বিকেল বা বিকেল-বিকেল নয়। -- হুম। নোটেড। তো অামার ঠিক কী করনীয়? -- না মানে খুব ইয়ে হচ্ছে। -- কী হচ্ছে? -- অাকাশে-বাতাসে হচ্ছে। -- সে তো বুঝতেই পারছি। অানন্দ না হয়ে যায়? বৃষ্টি হলো? -- হলো তো বটেই। অাজ সেকেন্ড টাইম! -- নিঃসন্দেহে। এখন ধরেছে? -- ধরেছে বলেই তো এসে ফোন করছি। -- ফোন কানে দেওয়ার অাগে মাথা মুছেছিস? -- মাথা?

পুলিপিঠের কান্ডকারখানা : বৃষ্টির ফুচকা

-- ইয়েস মিস পুলিপিঠে, বন্দা অাপকে লিয়ে কী করতে পারে? -- দিদিইইইইইইইই। -- ওরে বাবা, কী হল? এত ফুর্তি কীসের? -- ফুচকা খেয়ে এলুম। -- ফুচকা? বৃষ্টি পড়ছে না? -- হেহে। -- হেহে কীসের শুনি? -- মানে যাকে বলে পড়ছে। -- হুম। বৃষ্টির মধ্যে ফুচকা। নট ব্যাড।

সুশীল অনুকবিতা পঞ্চ

তারিখ, ২০ মে। গগন সাঁপুইয়ের বাড়িতে চোর ধরা পড়েছে, সর্বত্র খুশির মেজাজ, বৃষ্টিও এসে পার্টি জয়েন করেছে, ইন্দ্রনাথও কোমরে কষে গামছা বাঁধছে, খিদেটা যে সহ্য করতেই হবে। এমতাবস্থায় অমু-কের কথায় উদ্দীপ্ত হয়ে এই পঞ্চ (পাঞ্চও বলা চলে) অনুকবিতা। অনুপ্রেরণা অবশ্যই অজন্তা।

ম্যাজলোর পিরামিড

--  অারে ঘোসবাবু, কী মনে করে? --  অার বলবেন না মশাই। ওয়াই-ফাইটা অফ হয়ে গেছে। --  অফ হো গেয়া? অরে রে রে, কেয়া মুশকিল কি বাত। --  মুশকিল নয়? অামি এবার নেট সার্ফ করবো কীভাবে? --  হাঁ, তাই তো তাই তো, নেট সার্ফ কোরা ভেরি ইম্পর্ট্যান্ট। --  ফেসবুকের লাইক কমেন্ট কীভাবে করবো? --  বেশক বেশক।…

অ্যানেময়

-- আমি বড্ড একলা, জানেন? -- তাই? -- কেউ আমার সঙ্গে কথাই বলতে চায় না। -- চায় না? -- আমায় দেখলেই সবাই মুখ ফিরিয়ে নেয়। -- নেয়? -- কখনো কখনো গালাগালও করে। -- তাই? -- এক বুড়ো তো আমায় পাগলও বলেছে। -- বলেছে? -- হয়তো তার জন্য আমিই দায়ী। -- বলছেন? -- দোষ হয়তো আমারই। -- কীকরে বুঝলেন আপনারই দোষ? -- আমি মাঝেমধ্যেই একটু অ্যাগ্রেসিভ হয়ে উঠি। -- কীরকম? -- রেগে যাই হঠাৎ হঠাৎ। -- তাই? -- ধরুন সেদিন রেলস্টেশনে। শিয়ালদায়। -- ট্রেনের বাংলা লৌহশকট। -- একটা লোক।

পাথরকুচি অার স্টোনবীড

পাথরকুচি পাথরকুচি পাথরকুচি, সাধ করে তুই সাজবি বুঝি! পাহাড়ি কোন নদীর তোড়ে ছিটকে উঠে ঠিকরে পড়ে, অনেক নীচে অনেক দূরে - ছোট্ট মিহি একটা তারে গুছিয়ে বসে ইচ্ছেটা কি? খামখেয়ালের আরও বাকি? -- ঋতুপর্ণা ভট্টাচার্য   Stonebead Bead of stone, stonebead Birthed in tumult, riverseed Tumble and run, waterbourne Journey down, polished, worn. Deft fingers,…

প্রধানমন্ত্রী

--  অারে ঘোসবাবু, কেরালার খোবোর সুনলেন? --  কেরালা? হ্যাঁ, ডিডিনিউজে দিচ্ছিল। --  ডিডিনিউজ? বঙ্গালি মে? --  হ্যাঁ রে বাবা, অার কটা ডিডিনিউজ অাছে? --  বহুত হ্যায়। লেকিন অাপ কব সে বংলা নিউজ দেখনা স্টার্ট...নেহী, ছোড়িয়ে, রং কোশ্চেন। অাপ নিউজ কব সে দেখনা শুরু কিয়ে? সুবহ কি অখবার তো ভী পঢ়তে নেহী হ্যাঁয়। --  অারে না…

যদি তোর ঢাক শুনে…

অ্যালার্মটা বাজলো ঠিক ন’টায়। পুরনো অ্যালার্ম, এককালে তিরিশ টাকায় কেনা। ঝনঝন করে ছ্যাকরা গাড়ির মতো বাজে। বিছানার পাশের ছোট কাঠের রংচটা টুলটার উপর থাকে, পাশে জলের গেলাস। অ্যালার্ম থামাতে গিয়ে বহুবার জলের গেলাস উল্টেছে, অ্যালার্ম বাবাজি মাটিতে ধূলুন্ঠিত হয়েছেন। নীচটার প্লাস্টিকের কিছু অংশ উড়ে গেছে, বেসটা তাই নড়বড় করে, বাজলে তাই বাবাজি একটু একটু করে ভরতনাট্যম করতে করতে টুলের সাইডের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

পুলিপিঠের কান্ডকারখানা : দিদিপুলি, লস্যি, প্রেশারকুকার, ই.টি. ইটিসি…

--  একটা নয়, দুটো নয়, একেবারে তিন-তিনটে! --  তিন-তিনটে? --  তিন-তিনটে। --  মানে চারটে কোনোমতেই নয়? --  শোন মেয়ের কতা। দিলুম তিনটে, অার এ নাকি চাইছে অারো? পোষাচ্ছে না বুঝি? --  অাহা তিনটেই যদি হল তাহলে চারটে হতে দোষ কোথায়? পাঁচটা হতেই বা অাটকাচ্ছে কে? --  উফফ, তোকে নিয়ে অার পারি নে। যা, তোকে অার…