— ডেকেছো মা?
— হ্যাঁ রে পুলি। অাজ কী খাবি বল।
— কলেজের যাওয়ার অাগে?
— কলেজে যাওয়ার অাগে। অ্যাজ ব্রেকফাস্ট।
— ডুম, পাঁউরুটু, কলু, দুধু…
— অারিব্বাস। এতেই তো মেয়ের জিভ দিয়ে জল গড়াচ্ছে।
— হেহে, খিদে পেয়ে গেছে বড্ড হেহে…
— বুঝেছি। টিঙ্কু এসেছে?
— না গো, গৌরদাকে নিয়ে হাসপাতালে গেছে।
— সেকি, কী হয়েছে?
— অারে গৌরদার পায়ে নাকি পুঁজ হয়েছে। রিক্শা চালিয়ে চালিয়ে…
— পুঁজ? কে ডায়াগনোজ করেছে?
— পাড়ার ডাক্তার।
— হরিপদ?
— হরিপদ।
— নেই কি তার অন্নের অভাব?
— ফীজ পঁচিশ টাকা।
— রুগিরা তো রক্ষে পেলো।
— তা পেলো।
— টিউমার কিনা চেক করেছে?
— করতে বলেছে।
— টাকা অাছে, চেক করানোর?
— না।
— ব্যুরোটা খুলে দেখ, দুহাজার অাছে, একশো টাকার নোটে। কলেজে যাওয়ার পথে দিয়ে যাবি।
— অাচ্ছা।
— কী খাবি তুই? টিঙ্কু না এসে থাকলে…
— অামি বানিয়ে নেবো। তোমার জন্যেও করতে যাচ্ছিলুম, তুমি ডাকলে।
— হুম। তুই বোস, অাজ অামি বানাবো।
— তুমি?
— কেন, অন্ধ লোকে রান্না করতে পারে না বুঝি?
— মা, তুমি ব্রেইল শীট মিউজিক পড়ে পড়ে বেহালা বাজাও। এটা কজন বলতে পারে?
— ডিসকারেজ করছিস?
— না, মা, ডিসকারেজ নয়। অামি জানি প্র্যাক্টিস করলে তুমি রান্নাও পারবে। কিন্তু প্র্যাক্টিস লাগবে, প্রথম প্রথম অামার বা দিদির সাহায্য লাগবে।
— নীলি! নীলি রান্নায় সাহায্য করবে?
— হুম। পয়েন্ট। দিদি অার রান্নাঘর হচ্ছে…
— ডিজাস্টার।
— রাইট।
— অ্যাক্সিডেন্টটা হবার পরে খুব হেল্পলেস লাগতো, জানিস।
— মা।
— ইয়েস। তুই ছোট, ভীষণ ছোট। নীলিটার উপর সবকিছু। ওভারনাইট মেয়েটার ঘাড়ে সবকিছু এসে পড়লো। সংসার, কলেজ, অন্ধ মায়ের দেখভাল, ছোট বোনকে মানুষ করে তোলা…শী ওয়াজ সোয়াম্পড।
— দিদি বলেই পেরেছিলো।
— ইয়েস। শী ইজ অ্যান অ্যাটলাস। অাইল্যান্ড অ্যামং দ্য ডীপ ব্লু সী।
— মা, তোমার তখন কীরকম মনে হতো? মানে, অামার প্রশ্নটা করাটা…
— নো পুলি, নো, ইউ শুড নো। অামার তখন মেন্টাল স্টেট কী ছিল জানতে চাস তো?
— অনধিকার চর্চা যদি না হয় তো।
— পুলি। ইউ অার মাই ডটার। ইউ হ্যাভ এভরি রাইট টু নো। এভরি রাইট।
— যদি তাই হয়, তাহলে অামি শুনতে প্রস্তুত।
— অাই ওয়ান্টেড টু ডাই, পুলি। অাই ওয়ান্টেড টু ডাই।
— মা!
— অামি অনেকবার ভেবেছিলুম, কী হবে অার বেঁচে থেকে? অামার জীবন কাজ সব বর্বাদ। চোখ ছাড়া অামি কীভাবে প্রোসীড করবো? অাই অ্যাম অ্যান ইনভ্যালিড। অা ওয়ার্থলেস পীস অফ সোসাইটীজ ফ্লোটসাম।
— মা। তুমি কখনই ওয়ার্থলেস নও।
— সেটা অামায় তখন বোঝানোর মতো কেউ ছিল না রে। নীলি হয়তো এখন হয়েছে, অাগে ও হিউমান ইন্টার্যাকশানে ইউজলেস ছিল। শী ট্রায়েড, বাট ফেইল্ড। দি ওনলি থিং শী হ্যাজ এভার ফেইল্ড অ্যাট।
— ও মা!
— ওরে অামি তোর পেয়ারের দিদিকে ক্রিটিসাইজ করছি না। বেচারি অার কতদিক সামলাবে?
— তুমি কী করলে?
— কী করবো? নিজেকে মেরে ফেলবো? দ্যাট ইজ দি ঈজি পার্ট। চ্যালেঞ্জ রিফিউজড। সেটা তো হতে পারে না।
— মনকে শক্ত করলে কীভাবে?
— শক্ত করতে পারলাম থ্যাঙ্কস টু ইউ। তোদের জন্য। মানে অামি চলে গেলে তোদের কী হবে সেটা একটা চিন্তা তো ছিলই, কিন্তু জানতুম যে নীলি বোনকে ঠিক সামলে নেবে। কিন্তু তোরা ছিলি সেই একটুকু ব্রাইট স্পার্ক, অ্যান্ড দ্যাট মেড দ্য ডিফারেন্স।
— অামার মনে অাছে, তুমি অনেক দিন খুব মনমরা ছিলে। বেহালা বাজাতে না, কিছুই করতে না। শুধু বসে থাকতে খাটের উপর।
— এনুই। নতুন কিছু করার এনার্জিটা থাকতো না। মেন্টাল এনার্জির অভাব, তার জন্য ফিজিকাল এনার্জিও থাকতো না। কিস্যু করতে ইচ্ছে করতো না। নাথিং। খেতাম যে তাও জোর করে। ঘুম অাসতো না। মিনিমাম এফর্টটা দিতে ইচ্ছে করতো না। খালি মনে হতো, করে কী হবে? তোদের যে অামি মা, মা হিসাবে যে অামার একটা কর্তব্য অাছে, একটা দায়িত্ব অাছে, একটা ডিউটি অাছে, সেটাই অামি করতে পারতাম না। একটা কালো অন্ধকার, অা ডার্কনেস ফার ডার্কার দ্যান দি ওয়ান দ্য অ্যাক্সিডেন্ট সো জেনেরাসলি গেভ মী। পাতালের শেষ প্রান্তে ছিলাম, নরকের শেষ সীমানায়। অাই ওয়াজ ডিপ্রেস্ড পুলি। ডিপ্রেশন। গ্রেটেস্ট এনিমি।
— গ্রেটেস্ট?
— গ্রেটেস্ট। নট এড্স, নট ক্যান্সার, নট পলিউশান, নট গ্লোবাল ওয়ার্মিং, নট নাথিং। ডিপ্রেশন। মোস্ট সাইলেন্ট, মোস্ট ডেডলি অফ অল কিলার্স। ভিতর থেকে কুরেকুরে খেয়ে নেয়, ঘুণধরা কাঠ যেন। ক্যান্সার, কিন্তু শরীরের নয়, মনের। বাঁচিয়ে রাখবে, বডিটা বাঁচবে, মনটা মনে থাকবে। যেন একটা অফ সুইচ, কেউ একটা চুপিচুপি গিয়ে কখন যে তুলে দিয়ে গেছে কেউ জানে না। অাই হেটেড ইট। অাই হেটেড মাইসেল্ফ। অাই হেটেড এভরিথিং। অার তারপর, হেট করার মতোও শক্তি রইলো না মনে। অাই ওয়াজ ডিফিটেড পুলি। অামি কখনো হারিনি রে, কখনো কোন চ্যালেঞ্জ থেকে পিছিয়ে অাসি নি। এই প্রথম বিনা যুদ্ধে সারেন্ডার করতে হচ্ছে। অাই কুড নট বেয়ার ইট। অাই। জাস্ট। কুড নট। বেয়ার ইট।
— মা!
— অ্যান্ড দেন…অ্যান্ড দেন…মুশকিল অাসানের মতো, তোর দিদি। ব্লেস হার।
— ব্রেইলের শীট মিউজিক?
— ব্রেইলের শীট মিউজিক। দ্যাট ওয়াজ মাই সেভিয়ার।
— বড়ালদা।
— বড়ালদা এখন। তখন কোত্থেকে অানতো অামি জিজ্ঞেস করিনি রে। করতে চাইও নি। অাই জাস্ট ওয়ান্টেড টু প্লে। তুই হয়তো জিজ্ঞেস করবি, শীট মিউজিক ছাড়াও তো মা ভায়ালিন বাজাতে পারে। ইয়েস, ট্রু, কিন্তু দ্যাট পুশ ওয়াজ নীডেড, দ্যাট ওয়ান বিট অফ মোটিভেশন, একটু ছোট সাহায্য। পাঁচিলটা টপকাবার জন্য একটা হেল্পফুল হ্যান্ড।
— তারপর থেকে একদিনও তুমি রেওয়াজ বন্ধ করোনি।
— না। করবোও না। অামর জীবনে তিনটে জিনিস সবচেয়ে প্রেশাস রে। তুই, নীলি, অার অামার মিউজিক। তোরা না থাকলে, অার বাজাতে না পারলে, অাই ডোন্ট নো হোয়্যার অাই উড হ্যাভ বীন।
— তুমি তো কখনো ওষুধ খাওনি, তাই না? ডিপ্রেশনের?
— প্রেস্ক্রাইব করেছিল। নীলি খাওয়াতে চেয়েছিল। কিছুটা, সামটাইমস, শী ওয়াজ সাকসেসফুল। মোস্ট টাইমস নট। অাই ওয়াজ অা ফূল।
— ফূল?
— ওষুধটা নিলে অারো অাগে সেরে যেতাম। তোদের উপর দিয়ে ঝড়টা বয়ে যেতো না। কম যেতো। খাইনি। হুব্রিস। প্রাইড। ওই অবস্থাতেও ভাবতাম, অাই শ্যাল ট্যাকল ইট অালোন। কাউর দরকার নেই। অামি ডক্টর বৈদ্য, অাই ডোন্ট নীড হেল্প। ব্লাডি ফূল অাই ওয়াজ।
— সাহায্য চাওয়াটা দুর্বলতা নয়।
— নেভার! কখনোই নয়। মানুষ জেনেটিকালি প্রিডিস্পোজড টু বী অ্যাল্ট্রুইস্টিক। অামরা সোশ্যাল অ্যানিমাল। লোন উল্ফের জাতি নই। একে অপরকে সাহায্য করে, বুস্ট করে, সবাই মিলেজুলেই এত কিছু অ্যাচিভ করেছি। ডিপ্রেশন হলে ডাক্তার না দেখানো বা ডাক্তারের কথা না শোনা অার, ফর এগজাম্পেল, টাইফয়েড হলে অ্যান্টিবায়োটিক না খাওয়া সেম ব্যাপার।
— কিন্তু তুমি তো সেরে উঠলে মা। সঙ্গীত তোমায় টেনে তুলে অানলো।
— সঙ্গীত, নীলি অার পুলি। এই তিনজনে মিলে। ঠিক। কিন্তু ওই যে বললাম, অনেকটা সময় চলে গেল, তোদের উপর দিয়ে ঝড় বয়ে গেল। অ্যান্ড অাই ওয়াজ লাকি।
— লাকি?
— মিউজিক অামায় সারিয়ে তুললো। সবাই অতটা লাকি হয় না। তাদের সেই ট্রিগারগুলো থাকে না, বা তারা সেটা খুঁজে পায় না। তাদের সামনে শুধু অন্ধকার।
— তাহলে ডাক্তার?
— টিঙ্কু হরিপদর কাছেই কেন গেল?
— টিঙ্কুদি? হরিপদ ডাক্তার ফীজ কম নেন বলে।
— তোর কী মনে হয়, পঞ্চাশ বছর অাগেও ফীজ কম থাকলেই টিঙ্কুদিরা ডাক্তারের কাছে ছুটতো? গৌর তাও কলকাতার ছেলে, টিঙ্কু তো অজ পাড়াগাঁয়ের মেয়ে। কটা ডাক্তার দেখেছে লাইফে? সোজা নিয়ে যেতো গ্রামের ওঝার কাছে, বা মন্দিরে গিয়ে পুজো দিতো, বা কিছুই করতে পারতো না। গৌরের পুরো পা’টা ইনফেক্টেড হয়ে যেতো, অ্যান্ড হী উড হ্যাভ সিম্পলী পাস্ড অ্যাওয়ে। নো ফাস। ডু নাথিং, বা ডু নাথিং সিগনিফিক্যান্ট।
— কিন্তু এরকম তো এখনো প্রত্যন্ত গ্রামের দিকে হয়।
— শহরে হয়। রোজ হচ্ছে। এভরিডে। ওহ্, নট অ্যাবাউট ফিজিকাল এলমেইন্টস। তার জন্য প্রচুর ডাক্তার অাছে, হাসপাতাল অাছে, লোকে যায়। বাট ফর মেন্টাল ডিজিসেস…খুব খুব কম লোক অ্যাকনলেজ করে যে তাদের প্রবলেম অাছে, ডাক্তার বা কাউন্সেলরের কাছে যাওয়া তো দূরের কথা। সিচুয়েশনটা সেই মধ্যযুগীয় অাছে রে পুলি। When it comes to the treatment of mental diseases and, in particular, depression, our cure and support system is still in the middle ages.
— সাপোর্ট সিস্টেম?
— কটা লোক বোঝে, বল? জ্বর হলে বা পেট খারাপ হলে বা অ্যাক্সিডেন্ট হলে বাড়ির লোক ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়, মাথায় জলপট্টি দেয়, হাসপাতালে দিনের পর দিন রুগির বেডের পাশে অ্যাটেন্ডেন্ট হিসাবে রাত কাটায়। কিন্তু ডিপ্রেশন? বাইপোলার ডিসর্ডার? স্কিৎজোফ্রেনিয়া? কটা লোক বোঝে? এরকম হওয়া মানেই সে পাগল। অল-এনকম্পাসিং টার্ম। অাগেকার দিনে যেকোন রোগ হলেই তখনকার দিনের ডাক্তাররা বলতো, শরীরী ফ্লুইডের বা হিউমারের ইমব্যালেন্স। তখন কিওর? ব্লাড-লেটিং। শরীরে রক্ত কমাও। হয় জোঁক দিয়ে, নাহয় শিরা কেটে। ওয়ান মেথাড ফর অল এইলমেন্টস।
— কিন্তু তাতে তো কাজ দিতো না।
— ন্যাচেরালি। কিন্তু কাজ যে দিচ্ছে না সেটা বোঝার ক্ষমতা হয় তাদের ছিল না, বা অার তাদের কিছু করার থাকতো না।
— অার তুমি বলছো মানসিক রোগের ক্ষেত্রেও অবস্থাটা এরকমই?
— অামার এক কোলীগ ছিল। সিনিয়র। এসএস। অামি এসদি বলে ডাকতাম। তার বাইপোলার ছিল। কয়েক দিন পরপর প্রচন্ড এনার্জেটিক, তারপর অাবার কয়েকদিন ডোলড্রাম্স। পীকস অ্যান্ড ট্রাফস। পুওর গার্ল। পুওর পুওর গার্ল।
— তার চিকিৎসা…
— হয়েছে। হতো। কিন্তু ওই, সারাজীবন ওই নিয়েই কাটিয়ে দিলো। এখন রিটায়ার্ড, অ্যান্ড স্টিল অান্ডার মেডিকেশন অ্যান্ড ট্রীটমেন্ট।
— অামরা যদি অারেকটু তোমায় সাহায্য করতে পারতুম তখন…বাড়ির লোক না বুঝলে অার কে বুঝবে?
— বাড়ির লোককেই তো প্রথম বুঝতে হবে। তুই খুব ছোট, বোঝার মতো বয়স হয়নি। নীলি বুঝেছিল। শী নিউ দ্য সিম্পটম্স। শী গট হেল্প। কিন্তু ওই, অাই ওয়াজ অ্যাডাম্যান্ট। বাট, অল্স ওয়েল দ্যাট এন্ডস ওয়েল।
— মা। অামি একটা জিনিস ঠিক করেছি মা।
— পুলি একটা জিনিস ঠিক করেছে। নাউ শী উইল মুভ হেভেন অ্যান্ড অার্থ টু মেক ইট হ্যাপেন। অাই নো মাই ডটার।
— মাঅাঅা…সিরিয়াস জিনিস।
— অাঃ, অামিও তো সিরিয়াসলিই বলছি। বলো, পুলিপিঠে কী ঠিক করেছে?
— কলেজে অামি মেন্টাল ডিজীজ নিয়ে একটা অালোচনাচক্রের ব্যবস্থা করবো। তাতে তোমায় বক্তিমে দিতে হবে।
— বক্তিমে?
— টক। সেমিনার। বক্তৃতা…
— ওরে অামি সেটুকু বাংলা জানি রে।
— দেবে? দেবে গো? তোমার মতো একজন বৈজ্ঞানিক, অার নিজের অভিজ্ঞতা…
— দেবো।
— না মানে সবার সামনে বলতে…
— দেবো। অাই উইল গিভ অা টক। হাই টাইম। লোকজন জানুক। লোকজনকে জানাতে হবে। দে নীড টু নো। তুই ব্যবস্থা কর।
— অামি অাজই করছি।
— অার শোন। শুধু কলেজ কেন? তোর সাঁতার ক্লাসে যারা অাসে, তাদের ডাকিস। তারাও শুনুক। ইয়াং উইমেন, অল অফ ইউ। তোমরা এটাকে পিক অাপ না করলে কে করবে?
— অাজই।
— গুড। এবার, অ্যাবাউট ইয়োর ব্রেকফাস্ট…
— ওঃ হো, থুড়ি মা, নিশ্চয়ই খুব খিদে পেয়েছে তোমার। কলা, ব্রেড অার অার্ল গ্রে? অামি যাবো অার অাসবো…
— হ্যাঁ, অামার নাকি খিদে পেয়েছে। অার মিস বৈদ্য যে সকালে তিরিশ ল্যাপ দিলে তার বুঝি খিদে পায় নি?
— হেহে।
— যাও। নাউ। কুইক মার্চ মিস বৈদ্য।
— রজার উইলকো ডক্টর বৈদ্য!


#সোঘো, বিকেল চারটে বেয়াল্লিশ, ২৪ নভেম্বর, ২০১৬ সাল, তিলোত্তমা।

#পুলিওমা #পুলিসিরিজ #ঘটিবাটী #Ghotibaatea


#Depression #DepressionIsReal #Bipolar #MentalIllness #MentalHealth #MentalHealthAwareness

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s