— ঘোসবাবু, কী কোরছেন?
— রাতে ভাল ঘুম হয়নি। ভাল ব্রেকফাস্ট হয়েছে, একটা ন্যাপঘুম দেওয়ার তালে অাছি।
— ন্যাপঘুম বাদ মে দিবেন। অাজ কোন ডেট মালুম অাছে অাপনার?
— অাজ? ডেট? অাছে নাকি? কিন্তু সের’ম তো কিছু—
— অরে নেহী নেহী, অাপকা অাজ ডেট নহী হ্যায়। অামি অাজকের ডেট, ইয়ানি কি তারিখের কোথা বলছিলাম।
— অাজ? অাজ তো বুধবার।
— ইয়াল্লাহ্, মুঝে উঠা লে। অাজ মঙ্গলওয়ার হ্যায় ঘোসবাবু। কেলেন্ডার দেখেন।
— ও, তাই বুঝি? হেহে।
— হেহে রাখেন। অাজ টুয়েন্টিফার্স্ট অফ ফেব। ইয়ানি কি—
— অামার ভাইঝির জন্মদিন। একটা ফোন—
— অাপকো ম্যায় জিন্দা দফনা দুঙ্গী, ইয়ে প্রমিস কর রহী হুঁ। কফন মে দফন। জিন্দা লাশ।
— না না কফিনে ঢুকলে খিদে পাবে এমন করবেন না—
— অাপনার সোবই পেট। অাপ দুনিয়া মে সবসে বড়া পেটুক হ্যাঁয়।
— মেনে নিলাম। কোন অাপত্তি নেই। মেডেল অাছে। দেরাজে। দেখবেন?
— মেরী ভি বন্দুক হ্যায়। জেব মে। দেখবেন?
— বন্দুক? না না, বন্দুক দেখলে অামার ডায়াবিটিস হয়। থাক বরং।
— গুড বয়। ইবার, অাজ হ্যায় 21 ফেব্রুয়ারী। মতলব অাপনার ল্যাঙ্গুয়েজে একুশে ফেব্রুয়ারী। ইয়ানি কি—
— মুনের জন্মদিন। ফোন করতে হবে—
— ইসকো কহতে হ্যাঁয় বেরেট্টা। ইম্পোর্টেড চীজ হ্যায়, খরাপ হোবে না, তাক ভি ফোস্কাবে না। পাইন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে অাছেন ঘোসবাবু, ট্রিগার দবালেই—
— কিস্যু হবে না। সেফটি অন তো।
— অচ্ছা, ইসব অাপনি বোঝেন? ভেরিগুড। ইবার থিকে সেফটি অফ করে অাপনার কোপালে ধরব।
— না না এরকম ভাওলেন্সের দরকার নেই। অামি নিরীহ নির্বিবাদী মানুষ, সাঁটিয়ে খাই, খাওয়া ছাড়া অার কিছু অাসে না। অাপনি কী বলছিলেন বলেই ফেলুন।
— অাজ ২১ ফেব। অাপকা ভাষাদিওস।
— ওহ হো হো, তাই তো। ভুলেই গিছলাম।
— অাপ বঙ্গালি কে নাম পে ধব্বা হ্যাঁয়।
— অারে না না অামার ধব্বায় বাঙালি জাতির কিস্যু এসে যাবে না। কিন্তু অাজ ভাষাদিবস, কিছু একটা লিখতে হবে তো।
— হোবে তো। ইসী লিয়ে তো ম্যায় ইহাঁ হুঁ। এইজন্যই তো এসেছি ইখানে।
— কী লিখি বলুন তো? বেশ নস্টালজিয়া মিশিয়ে ছোটবেলার কাহিনী দিয়ে শুরু করব?
— কীরকম, এগজাম্পেল দিন।
— যেমন ধরুন, ছোটবেলা থেকে অামি ইংলিশ মিডিয়ামেই মানুষ। বাড়িতে প্রচুর বাংলা বই থাকলেও ইস্কুলে বাংলা পড়া শুরু হয় ক্লাস থ্রী থেকে, তাও থার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ হিসাবে।
— বোলেন কী? অাপনি বঙ্গালি হোয়ে বাংলাই জানতেন না?
— না না, জানতুম না কে বলল? ভালই জানতুম। মানে পড়তে বলতে দিব্যি পারতুম, লিখতেও পারতুম। কিন্তু সিস্টেম্যাটিক শিক্ষাটা হয়নি।
— অাপ ধব্বা হ্যাঁয়।
— কী করব বলুন। পাওয়ার্স দ্যাট বী ঠিক করেছিল ছেলে বাইরে যাবে, সেখানে এই বেকার পুরনোপন্থী ভাষার কোন দাম বা দম থাকবে না। ওই বয়সে তো অার পাওয়ার্স দ্যাট বী-র উপর কথা বলা যায় না।
— হুম। উসকে বাদ?
— ক্লাস সিক্সে নতুন ইস্কুলে এলুম। সেখানে মামলা সম্পূর্ণ উল্টে গেল। বাংলা থার্ড ল্যাঙগুয়েজের লেফ্টওভার থেকে সোজা ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজের শাহীমটনবিরিয়ানীতে প্রোমোটেড হল।
— বোলেন কী? ফ্রম ফ্রিজ টু ফ্রাইং প্যান?
— বেমালুম। এবার বাংলা নিয়ে সিরিয়াসলি পড়াশুনো করতে হল, উত্তর মুখস্থ করে পরীক্ষা দিতে হল, নম্বর পেতে হল—
— অান্সার ইয়াদ করকে? কিঁউ, অাপনি হলে বোসে নিজের ওয়ার্ডসে লিখতে পারেন না?
— দেখুন মশাই, লাইফে প্রথম বাংলায় পরীক্ষা দিচ্ছি, অত কেরদানী মারার মত দম ছিল না। সেটা পরে এসেছিল। বাংলাটা গ্রিপে এসে গিছল।
— হুম। ন্যাঃ।
— কী ন্যাঃ?
— চোলবে না?
— কী চলবে না?
— এর’ম পোস্ট দিলে কেউ পড়বে না। অাপনার নোস্টালজিয়া হু উইল বদার? অাদার রুট ভাবুন।
— অাদার রুট?
— হাঁ হাঁ, অল্টারনেট টপিক। ভাবুন ভাবুন। সোচিয়ে সোচিয়ে।
— অাচ্ছা, মানে হুঙ্কার ছাড়লে কেমন হয়?
— হুঙ্কার? মতলব?
— না মানে এই যে বাংলা ভাষা অাজকাল নিজের জায়গাতেই সেকেন্ডক্লাস সিটিজেন হয়ে যাচ্ছে—
— সেকেন্ডক্লাস সিটিজেন? কী বোলছেন অাপনি?
— না, ধরুন, অাপনি তো বাঙালী নন?
— না, হামি বঙ্গালী নই।
— তাও বাংলা সম্পূর্ণ বোঝেন, বেশ ভালই বলেন।
— লিখনা ভী জানতা হুঁ।
— দেখছেন তো। অাপনি বাঙালী না হয়েই এই এফর্টটা নিয়েছেন। কেন নিয়েছেন? কেননা অাপনি বাংলাদেশে বাস—
— বাংলাদেশ নহী, বলুন এপারবাংলা। বাংলাদেশ বহুত গোলমেলে চীজ অাছে।
— এপারবাংলা। তাই সই। তো এই এপারবাংলাতেই তো অাজকাল বাইরের লোক এসে কীসব করছে।
— কীসব মতলব? খুল কে বতাইয়ে।
— মানে ধরুন, চল্লিশ পঞ্চাশ বছর আগে পর্যন্ত যারা এপারবাংলায় এসে বসবাস করত তারা নিজেদের তাগিদেই বাংলা শিখত,বলত। ভুলভাল হত, তাও বলত। একটা ইন্টিগ্রেট করার ইচ্ছে কাজ করত।
— অাউর অব?
— এখন? এখন জোর করে নিজেদের ভাষাই চলে। অাজ সকালেই এক দিদির ওয়ালে একটা লেখা পড়লাম। দিদি সাহিত্যিক, খুব ভাল লেখেন। তিনি কোন একটা লেখার জন্য পুরস্কার নিতে গেছেন। এই এপারবাংলাতেই। সেখানে এক হিন্দীভাষী সাহিত্যিক হিন্দীরচনার জন্য পুরস্কার পেয়েছেন, বেমালুম হিন্দীতে কথা চালিয়ে যাচ্ছেন। এবার তামিল সাহিত্যিক সে কথার কিছুই না বুঝে তাকে অনুরোধ করেছেন ইংরিজিতে বলতে যাতে সবাই বুঝতে পারে। তাঁর উত্তর কী ছিল জানেন?
— উসনে অংরেজি মে নহী বোলা?
— খানিকটা হ্যাহ্যা করে হেসে বলল, এটা নাকি হিন্দুস্তান, এখানে সে হিন্দীতেই কথা বলবে।
— লেকিন ইখানে একটা বেপার অাছে ঘোসবাবু। অাপনি একাডেমিক্সের লোক, অাপনি জানবেন। বীটা রেডিয়েশন কাকে বোলে জানেন তো?
— হ্যাঁ। রেডিওঅ্যাক্টিভিটির—
— নহী নহী, উও বীটা রেডিয়েশন নহী, বাতচীত মে বীটা রেডিয়েশন।
— অ্যাঁ। ও, হ্যাঁ, জানি।
— কী বলুন, শুনি।
— অ্যাকাডেমিক্সে, অন্তত ফিজিক্সে, রিসার্চ লেভেলে বাংলা ছাত্রীছাত্রদেরই রমরমা। ষাট শতাংশ অবধি বাঙালী দেখা যায় কিছু কিছু রিসার্চ ইন্সটিট্যুটে। তাতে কনফারেন্সে অনেক সময়ে দেখা যায় বাঙালীরা জটলা বেঁধে বাংলায় কিছু একটা অালোচনা করছে, অার বাকিরা, মানে অবাঙালীরা সেখানে ঢুকতে গেলে তাদেরকে পাত্তা দেওয়া হচ্ছে না।
— অবাঙালী। মতলব অাপলোগ কিতনা এক্সক্লুসিভ হ্যাঁয় দেখিয়ে। অার কোন সেকশন অফ হ্যুম্যানিটি কিন্তু অ্যায়সা হম অাউর নন-হমে ডিস্টিঙ্গুইশ কোরে না।
— অাপনি শিওর, করে না? কীকরে জানলেন? অাপনি কি সবার সঙ্গে কথা বলেছেন, পড়াশুনো করেছেন? না করে বলছেন কীভাবে?
— দেখুন ঘোসবাবু ইয়ে ঠীক নহী হ্যায়। ইস সিরীজে হামি অাপনাকে টাফ কোশ্চেন করব, অাপনি হামায় নয়। ইয়ে রুল হ্যায়।
— মারুন গুলি অাপনার রুলে। প্রশ্নের জবাব তো দিতে পারবেন না। অাসলে ব্যাপারটা কী জানেন, হায়ার ফিজিক্সে স্টুডেন্টদের মধ্যে এই ব্যাপারটা অাছে, অামি সর্বান্তকরণে মেনে নিচ্ছি। কিন্তু মশাই, ওই একটা ছোট্ট নিশে এরিয়া ছাড়া বাঙালী অার কোথায় মেজরিটি দেখাতে পারবেন? অাপনি অামায় বীটা রেডিয়েশন দেখাচ্ছেন, অামি অাপনাকে থীটা রেডিয়েশন হীটা রেডিয়েশন কাপ্পা রেডিয়েশন সব দেখিয়ে দেব।
— ইয়ে…ইয়ে সব কেয়া হ্যায়?
— প্রথমটা তামিল রেডিয়েশন। চেন্নাই গেছেন কখনও? অটোয় উঠে তামিল বা ইংরিজি ছাড়া একবর্ণ বলে দেখেছেন? বেঙ্গালুরুর অটোচালকের সামনে হিন্দীবাংলা মায় তামিল বলার সাহস অাছে অাপনার? কাউবেল্টে গিয়ে বাংলা ছড়ান তো একবার, গায়ের চামড়া ছাড়িয়ে নেবে।
— নহী নহী অ্যায়সি বাত নহী হ্যায়—
— এরকমই ব্যাপার। না জেনে থাকলে জেনে নিন। একটা যুদ্ধ অাসছে। ভাষাযুদ্ধ। কালচার ওয়ার। লক্ষ্য, প্রাইজ, লুট হল এই বাংলা। এপারবাংলা। বুভুক্ষের মত এতে থাবা বসাতে অাসছে একদিন থেকে বাংলাদেশি কুলিচুর বলা সৌদিতেলের দৌলতে দৌল্লাহ হয়ে যাওয়া সালাফির হায়নার দল, অন্যদিকথেকে কাউবেল্ট থেকে ত্রিশূলগেরুয়াধারী শকুনেরা। মাঝে পড়ে গেছি অামরা, বাঙালিরা। বছরবছর ধরে বন্ধুত্ব দেখিয়ে, সাদর অাপ্যায়ন করে এই কেউটেদের ঘরে অামরাই ঢুকিয়েছি। তাই এবারকার ভাষাদিবসেও এপারবাংলার গ্রামে গ্রামে অারবী বলা হবে, বাংলা বললে চাপাতিকাটা হতে হবে, অার এর একমাত্র রেস্ক্যুপার্টির ছদ্মবেশে খাকি হাপ্প্যান্টের দল হনুমানচালিসা অাওড়াতে অাওড়াতে সুট করে ঢুকে পড়বে।
— ঘোসবাবু। অাপনি রেগে গেছেন। শান্ত হোন।
— শান্ত অার কীকরে হব বলুন? অাজকাল বাঙালীর বাচ্চা ভাল করে বাংলা উচ্চারণ করে পারে, ইনানসিয়েট করতে গেলে বগলের চুল শাদা হয়ে যায়। এ কে চট্টোপাধ্যায়, এস চট্টোপাধ্যায়, অার সেন, এস মিত্র, টি মিত্র, ইউ ডাট, এস রে — এদের নাম জানেন?
— ইয়ে কৌন হ্যায়? নাম সুনা নহী।
— তা শুনবেন কীকরে? এ কে চট্টোপাধ্যায়কে অামরা উত্তমকুমার নামে চিনি, এস চট্টোপাধ্যায় অপুও যেমন ফেলুদাও তেমন, অার সেন অত্যন্ত সুচিত্রা, এস অার টি মিত্রের বহুরূপী জিনিয়াস, ইউ ডাট টিনের তলোয়ার হাতে দড়ি ধরে টান মেরে খানখান করেছেন, অার এস রের পথের পাঁচালি এক অাগন্তুক লিখে গেছেন। এঁদের বাংলা উচ্চারণ অাপনি শুনেছেন? ইনানসিয়েশন খেয়াল করেছেন কখনও?
— নহী।
— কম্পেয়ার করুন। অাজকালকার ইয়েদের সঙ্গে। দেব। জিৎ। রাইমা। এরা বাঙালী? অাবার ফার্স্ট বয় এদের নিয়েই সিনেমা করে ভাষাটাকে বিকিয়ে দিচ্ছে।
— লেকিন রাকেশ শর্মা—
— রাকেশ শর্মাকে অামি শ্রদ্ধা করি। ভদ্রলোক বাংলাটা কষ্ট করে শিখে রপ্ত করেছেন, কীভাবে বলতে হয় শিখেছেন, তাই উচ্চারণে হিন্দী টান থাকলেও কখনই মনে হয় ভাষাটা বলতে পারেন না। অার তার সঙ্গে কম্পেয়ার করুন। করুন করুন।
— অঃ, ঘোসবাবু। হামার মোনে হয় অ্যায়সা বাত অাপনার পোক্ষে থোড়া এক্সট্রীম হোয়ে যাবে না কি? অাপনি তো ট্রাই কোরেন এপলিটিকাল থাকার? চাইল্ডহুড সে তাই ট্রাই কোরে এসেছেন। পলিটিক্স কো অাপ হেট কোরেন।
— করতাম। মনে হত যেসব লোকে পলিটিক্সকে নিজের পার্সোনাল প্রপার্টি বানিয়ে নিয়েছে তাদের মত পাঁকে পড়ব না। হয়ত চেন্নাই থেকে গেলে, এপারবাংলায় ফিরে না এলে তাই করতাম।
— লেকিন লৌট কে অাপনি এলেন।
— এলাম। না এলে যে কী মিস করে যাচ্ছি তার কোন হিসাব থাকত না। জীবনসঙ্গিনী পেলাম, অার তার হাত ধরেই এই ভাষাটাকে নতুন করে দেখতে শিখলাম, জানতে শিখলাম, বুঝতে শিখলাম, শিখতে শিখলাম।
— অাপনার রিনেইস্যান্স হোলো?
— রেনেসাঁই বটে। এই ভাষাতেই ফের লিখতে শুরু করলাম। প্রশ্নপত্রের বাঁধাধরা উত্তর নয়, স্বতঃস্ফূর্ত লেখা। নিজের চিন্তা নিজের ভাবনার সঙ্গে বাহিরবিশ্বের পারিপার্শ্বের মিশিয়ে কিছু মজার চরিত্র তৈরী করে লিখতে শুরু করলাম। নতুন করে ভাষাটার সৌন্দর্য উপলব্ধি করলাম।
— অাউর? এটা কোরে কেমন লাগে?
— ফ্রী লাগে। ভীষণ ফ্রী লাগে। প্রসেসটা সহজ নয়। ফেসবুকে কিছু কিছু বন্ধু হয়েছে, তাদের বাংলায় লেখা পড়ে নিজের বেটার হাফের লেখা পড়ে অনেক সময়ে বুঝি না। এর কারণ বাংলা ভোক্যাবুলারি অতটা ডেভেলাপ করেনি। ইংরিজিতে যা অামি ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে করতে পারি—
— অপনা ড্রাম অপনে হাত সে বজা রহে হ্যাঁয় ঘোসবাবু।
— যেটা সত্যি, সেটাই বলছি। ইংরিজি ইজ ইজি। বাংলা একটা চ্যালেঞ্জ। কিন্তু, ঠিক যেমন বার্নি স্টিমসন বলেছিল, “চ্যালেঞ্জ অ্যাকসেপ্টেড”।
— তাহলে অাজ যে এই ইন্টারন্যাশ্যনাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ ডে, এতে এটাই অাপনার বক্তব্য? চ্যালেঞ্জ অ্যাকসেপ্টেড?
— অালবাত। অালবাত।

(#ভাষাদিবস)


#সোঘো, ১৪:১৬, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭, তিলোত্তমা।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s