ডক্টর বৈদ্য নামকরা বৈজ্ঞানিক ছিলেন। কিছু বছর অাগে বিদেশে ল্যাবরেটরিতে কাজ করতে গিয়ে একটা দুর্ঘটনা অন্ধ হয়ে যান। গবেষণার জীবন থেকে অবসর নিয়ে কলকাতায় ফিরে তিনি দুই মেয়েকে মানুষ করা শুরু করেন। বড় মেয়ে নীলিমা বৈদ্য মায়ের মতই বৈজ্ঞানিক, ইদানীং পার্টনার ব্রেন্ডার সঙ্গে ইওরোপে অাছে। ছোট মেয়ে পুলি এখন কলেজের থার্ড ইয়ারে, ইতিহাস নিয়ে পড়াশুনো করছে। সে অাবার সাঁতারেও অত্যন্ত দক্ষ। মা ও মেয়ের কথোপকথনের মধ্যে কখনও-কখনও বিজ্ঞানের কিছু কিছু বিষয় উঠে অাসে। বৈদ্যবাটী সিরিজে তারই কয়েকটা দেওয়ার চেষ্টা করব।


— পিকুদি! ও পিকুদি। পিকুদিইইইইইই…
— উফফ, বসেছিলাম একটু ভিভাল্ডিকে নিয়ে, এলেন উনি ষাঁড়ের মত চেঁচাতে চেঁচাতে। কী হয়েছে কী?
— পিকুদি কই?
— পিকুদি বাড়ি গেছে।
— সেকী, এর মধ্যে?
— পিকুদির কাজ শেষ। তাকে ব্যাঙ্কে যেতে হবে।
— ওও, হ্যাঁ হ্যাঁ, দিদি পিকুদির অ্যাকাউন্ট খুলে দিয়েছিল তো। সেই ৮ নভেম্বরের পর। কোন ব্যাঙ্ক যেন…?
— বন্ধন ব্যাঙ্ক। দশটার মধ্যে গিয়ে লাইন দেবে। তাই…কিন্তু তোর কী হয়েছে? পিকুদিকে কী দরকার? অার খুঁড়িয়ে হাঁটছিস কেন?
— খুঁড়িয়ে? অামি? কই, না তো।
— কইনাতো? অ্যাঁ? তোর কইনাতো দেখাচ্ছি। স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছি খুঁড়িয়ে হাঁটছিস…এদিকে অায়, পায়ে কী হয়েছে?
— এই না না কিছু হয়নি কিছু হয়নি এই এই অাউউউউ…
— হুম। কেটেছে। কীভাবে কাটল?
— ছড়েছে মা, কাটেনি।
— বাজে কথা বলিস না। তোর মা চোখে নাও দেখতে পারে, কিন্তু একটা ইঞ্জুরি জাজ করার ক্ষমতা এখনও অাছে। লেট্স সী, পায়ের তলায় মাটি…হাঁটুর কাছে স্কাফ মার্কস…কনুই লুকোচ্ছিস তার মানে ওখানেও…সাইকেলে রেস দিচ্ছিলি?
— …
— কী হল? স্পিকটী নট?
— এটা…এটা তুমি কী করে বললে?
— সিম্পল ম্যাটার অফ ইন্ডাকশ্যন, মাই ডিয়ার ডটার। তার জন্য চোখ লাগে না।
— ইন্ডাকশ্যন? ডিডাকশ্যন নয়?
— না। ইন্ডাকশ্যন। তোর কী হয়েছে অামি অাগে থেকে জানতাম না, কী হতে পারে তা নিয়েও কোন অাইডিয়া ছিল না। শুধু ক্লু ফলো করে কনক্ল্যুশ্যনে এসেছি। দ্যাট ইজ ইন্ডাকশ্যন। নট ডিডাকশ্যন।
— তাহলে ডিডাকশ্যন কাকে বলে?
— সেটা পরে হবে। তোর পায়ের গোড়ালি পাতা ভিজে, তার মানে ধুয়েছিস। এখন ডেটল চাইছিস, তাই তো?
— ইন্ডাকশ্যন?
— কোয়াইট সো। ডেটল যেখানে থাকে সেখানেই অাছে। বাথরুমের শেল্ফ, টপ রাইট। হাঁটু কনুই ভাল করে অারেকবার ধুয়ে ডেটল দিয়ে অায়।

— অাউউউ…
— ডেটল তো একটু জ্বালা করবেই মাই ব্রেভ ডটার।
— স্যাভলন শেষ। পিকুদিকে দিয়ে তুমি ডেটল অানিয়েছ, তাই না?
— পিকুদি? নট অ্যাট অল। অামি নিজে অর্ডার দিয়েছি। জীভ্স অাছে কী করতে?
— জীভ্স?
— জীভ্স। অামার মোবাইল ব্যটল্যর।
— মানে ওই সিরি-ফিরির মত?
— না। নট লাইক সিরি। বেট্যর।
— তাই? বল না মা শুনি শুনি।
— একদম না। এটা এক্সপেরিমেন্ট্যল ফেজে অাছে। টিএস ডেভেল্যপ করছে। হয়ে গেলে বলব।
— এই না, গল্প শুনবওওও…
— পরে। অাগে বল, তুই অাজ সকালে সাঁতারের ক্লাস না নিয়ে হঠাৎ সাইকেলরেস দিতে গেলি কেন?
— কাল সাঁতারের রেসে গো-হারান হারার পর ছাত্রীরা চ্যালেঞ্জের মুডে ছিল।
— সাঁতারে পারবে না বলে সাইকেল?
— কোয়াইট সো।
— সাইকেল রেসের পক্ষে এই অাশেপাশের জায়গাটা কি খুব একটা স্যুটেড? এত লোকজন, রাস্তাও এবড়ো-খেবড়ো…
— সেটাই তো। অামিও সেটাই বললুম। শুনল না। বলল রেস হবেই।
— হুম। কাল হেরে রক্ত গরম হয়ে গেছে।
— তা হয়েছে। অার সেটা ভাল। গুড অ্যাটিচ্যুড। অার মাথাও খাটিয়েছে।
— কীরকম?
— সাইকেল রেস যে হওয়া মুশকিল ওরা জানে। তাই ব্যাপারটাকে ঘুরিয়ে দিয়েছে। পুকুরের চারপাশে সাইকেল “রেস” হবে, কিন্তু…
— স্লো-সাইকেল?
— যাব্বাবা, কীকরে বুঝলে?
— সিম্প্যল। পুকুরের চারদিকে ফাস্ট রেস করাটা প্রায় অসম্ভব। টূ ডেঞ্জারাস। তুই তোর ছাত্রীদের সেই ডেঞ্জারে ফেলবি না। স্লো-সাইকেল, অন দি অাদার হ্যান্ড, ইজ ওকে। পড়লেও ম্যাক্সিমাম হাত-পা ছড়ে যাবে…
— যার জলজ্যান্ত প্রমাণ তোমার সামনে।
— ইয়েস। কিম্বা অন্যদিকে ব্যালেন্স হারিয়ে পুকুরে। হুইচ, টূ, ইজ নট অ্য প্রবলেম।
— একদম। কারেক্ট ডিডা…ইন্ডাকশ্যন।
— অলসো, তুই সাইকেল যথেষ্ট ভাল চালাস। তুই সাইকেল থেকে হুট করে পড়বি না।
— হেহে। এটা কিন্তু কাল রাতে তুমি বেমালুম ভুলে গিছলে।
— কোনটা?
— এই যে, অামি ভাল সাইকেল চালাই।
— বাজে বকিস না। অামি কীভাবে ভুলব?
— না গো মা, তুমি যখন বিজ্ঞান নিয়ে কিছু বোঝাতে যাও তখন তোমার অার হুঁশ থাকে না।
— তাই? লক্ষ্য করি নি।
— হেহে। অামি সাইকেল থেকে খুব কমই পড়েছি।
— যদি না সাইকেলটা যথেষ্ট অাস্তে চলে।
— অার দুঃখের কথা বলো না। যেহেতু অামি টীচার, তাই অামায় পুরো তিরিশ ল্যাপ চালাতে হবে না পড়ে গিয়ে।
— তিরিশ ল্যাপ! বাপরে। ওদিকে কজন?
— তিনজন।
— মাত্র? তোর পনেরজন স্টুডেন্ট না?
— হ্যাঁ, কিন্তু সাইকেল মোট চারটে। অার তেমন ভাল সাইকেল চালাতে ওই তিনজনই পারে। রেবা, মালতী, ও সুকন্যা।
— মালতী? এই মালতীই তো কাল…?
— ইয়েস। ওদের মধ্যে বেস্ট সুইমার। অার দেখলাম বেস্ট সাইক্লিস্টও বটে। মানে স্পীড সাইক্লিঙের দিক থেকে।
— তাই? ঘটনাটা শুনি।
— ওরা রিলে করবে। তার মানে, ধর রেবা শুরু করল। রেবা যদি পড়ে যায় তাহলে সুকন্যা চালাতে শুরু করবে…
— স্টার্টিং লাইন থেকে?
— স্টার্টিং লাইন থেকে। কিন্তু সে ল্যাপটা পুরোটা গোনা হবে। এবার সুকন্যা পড়ে গেলে…
— মালতী ধরবে।
— ঠিক। মালতী পড়ে গেলে হয়ে গেল, অামি জিতলাম।
— অার তোর একটাই চান্স?
— হ্যাঁ।
— ওকে। অার যদি ধর তুইও পড়লি না, ওরাও অল-অাউট হল না, তখন?
— তাই যদি হয় তাহলে যে পরে তিরিশ ল্যাপ শেষ করবে সে জিতবে।
— অাঃ, অফ কোর্স! অাই লাইক দ্য রুল্স। এইজন্যেই পড়ে গেলেও সেই ল্যাপটা কাউন্ট হবে। বুঝেছি। রাইট, সো, হোয়াট হ্যাপেন্ড?
— মালতী অার অামি স্টার্ট করলাম। মালতী ভাল চালায়, ব্যালেন্স ভাল, কিন্তু স্লো-সাইকেলটা পারে না। পারে না মানে, কনসেপ্টটাই মাথায় নেই। প্রথমেই অামার ডবল স্পীডে সাঁই করে বেরিয়ে গেল।
— যাঃ।
— ভীষণ কম্পেটেটিভ। কিন্তু ওই যে, স্লো ব্যাপারটা ওর ঠিক অাসে না। এবার ওকে অত স্পীডে বেরিয়ে যেতে দেখে বাকিরা চেঁচামেচি শুরু করল — এই মালতী, অাস্তে চালা, ব্রেক মার, তাড়া কীসের এইসব। তাতে মালতী কেমন একটা ঘাবড়ে গিয়ে একইসঙ্গে ব্রেক মেরে অার প্যাডেল চালিয়ে ফেলে ব্যালেন্ড হারিয়ে সোজা ঝপাস জলে।
— সেকী! সাইকেল সুদ্ধু?
— না, সাইকেলটা কোনওমতে পুকুরপারে অাটকে বেঁচে গেছে। মালতী সোজা পুকুরে।
— যাঃ। তাহলে তো ওরা জিরো?
— জিরো নয়, সোজা ওয়ান। ল্যাপটা তো ধরা হবে।
— রাইট। তারপর?
— সুকন্যা। অনেক বেশি স্টেডি। অামি তখন মোটামুটি অর্ধেক ল্যাপে অাছি। সুকন্যা তাই অামার চেয়ে এগিয়ে।
— সেটা মেক-অাপ করতে পারল?
— না, তা পারেনি। অত ব্যালেন্স নেই। তবে মোটামুটি ওই দু’ থেকে তিন ল্যাপ এগিয়ে ছিল। বাইশ ল্যাপ অবধি টেনে দিল।
— ওর বাইশ নম্বর ল্যাপ?
— হ্যাঁ। অামি তখন উনিশে। মালতী থামল বাইশ ল্যাপের একেবারে শেষে এসে, তার মানে লস-টা মিনিমাম।
— পড়ল কীভাবে?
— পড়ে নি ঠিক। স্টার্টিং লাইনের মিটার পাঁচের অাগে একটা ছোট গর্ত অাছে। সেটায় সাইকেলের চাকাটা পড়তে ডিসব্যালেন্স হয়ে ব্রেকে হাত দিয়ে ফেলে।
— ও, ব্রেকে হাত দিলেও ডিস্কোয়ালিফাই?
— অবশ্যই।
— কিন্তু সেটা দেখছে কে?
— সুকন্যা নিজেই বলল, ব্রেকে হাত দিয়ে ফেলেছে। সাইকেল থামিয়ে নেমে পড়ল।
— বাঃ, ভাল তো।
— হ্যাঁ, গিলক্রিস্টের মত ওয়াক করল।
— তারপর? রেবা?
— রেবা সিরিয়াসলি গুড সাইক্লিস্ট। ধরলই সুকন্যার হাফ স্পীডে। কিন্তু পার্ফেক্ট ব্যালেন্স।
— হুম। স্কিল্ড মেয়ে।
— রেস চলতে লাগল। রেবা অামাকে প্রায় ধরে ফেলল। সাতাশ ল্যাপ শুরু হওয়ার সময় দু’জনেই সমানে সমানে।
— তার মানে ফর দ্য ফার্স্ট টাইম তুই পেছিয়ে পড়লি?
— হ্যাঁ। মানে এগিয়ে গেলাম। রেবাকে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছি, দেখি সে ঠান্ডা মাথায় মুখে হাসি মেখে ব্যালেন্স করে যাচ্ছে, যেন কোন ব্যাপারই নয়। এদিকে অামি সকালে নিজে দু’ঘন্টা প্র্যাক্টিস করেছি, শরীরে তেল কম। তার ওপর রোদের তেজটাও বাড়ছে, গুমোট গরম, ঘেমে নেয়ে গেছি…ক্যাডাভ্যারাস অবস্থা।
— হুম। অার তাই মিস্টেকটা হল?
— হল উনত্রিশ ল্যাপ শেষ হওয়ার ঠিক মুখটায়। রেবা তখন অামার চেয়ে বেশ পেছিয়ে। অামি প্রাণপণে চেষ্টা করছি স্পীড অারো কমাবার। অার মিটার দশেক বাদেই শেষ ল্যাপ। এখন কিছু না করতে পারলে মুশকিল। কচ্ছপমার্কা স্পীডে চালাচ্ছিলাম, প্রাণপণ চেষ্টায় শামুকমার্কা স্পীডে কমালাম। এবার রেবা ঠিক কতটা পেছিয়ে জানা দরকার, তাই ঘাড় ঘুরিয়ে দেখতে গিয়ে…
— টপেল?
— ব্যালেন্সটা গেল। ব্যালেন্স ঠিক করতে গিয়ে স্পীড বাড়াতে হল। স্পীড কমাতে গিয়ে ব্রেক চাপতে গিয়েও চাপলুম না, তাহলে ডিস্কোয়ালিফাই। এমন সময় সেই গর্তটা এসে গেল। এতকিছু হওয়াতে অার সামলাতে পারলুম না। সোজা গর্তটায় সাইকেলের চাকাটা পড়ল, সামনের চাকাটা ঘুরে গেল, সাইকেলটাও উল্টে পড়ল…
— অার তার সঙ্গে সঙ্গে তুইও।
— ধাঁই-ধপাস।
— ইশশ। অার রেবা?
— রেবা তো পেছনে ছিল। ফিনিশ লাইনে মালতী সুকন্যা বাকিরা ছিল। অামায় ফ্ল্যাটেন হতে দেখে মালতীই লাফিয়ে প্রথমে ছুটে এল। এসে তুলে দাঁড় করাল।
— তুলে দাঁড় করাতে হল?
— না, মানে, ওই…
— ওই কী?
— মাথাটা একটু মাটিতে ঠুকে গিছল। কয়েক মুহূর্তের জন্য এভ্রিথিং ডার্ক।
— সেকী! কনকাশ্যন হয়নি তো?
— না গো, সেসব কিছু হয়নি। একটা ছোটখাটো অাব গজিয়েছে…
— দেখি দেখি…
— অাউউ…
— বরফ দিয়েছিস?
— না, তা ঠিক…
— কীসের অ্যাথলীট তুই? এরকম লাগলে বরফ লাগাতে হয় জানিস না? যা, এক্ষুণি ফ্রীজার থেকে অাইসকিউব বের করে জিপলক ব্যাগে পুরে মাথায় দে। ইমিডিয়েট!
— অাচ্ছা বাবা যাচ্ছি। কিন্তু…
— কিন্তু কী?
— অামি পড়লাম কেন?
— মানে?
— মানে ব্যালেন্স হারালাম কেন? সাইকেল যখন মোটামুটি স্পীডে যায় তখন দিব্যি ব্যালেন্স থাকে, স্লো-সাইকেল করতে গিয়েই যত কেলেঙ্কারী? বেশি গতিওয়ালা জিনিস নিয়ন্ত্রণ করা বেশি কঠিন হওয়া উচিত নয় কী?
— গুড কোয়েশ্চেন। এই অবস্থাতেও যে তোর এই প্রশ্ন মাথায় অাসছে সেটা এনকারেজিং। হুইচ মীনস প্রব্যবলি নো কনকাশ্যন। তাও, অাইসপ্যাক। কুইক।
— কিন্তু কেন হয় সেটা বলবে না?
— বলব। ডেফিনিটলি বলব। কিন্তু অাগে অামার কথাটা শোন। অাইসপ্যাকটা মাথায় লাগা, অার অাধঘন্টা রেস্ট নিয়ে অায়। তারপর বলছি।
— বলবে তো?
— অাই প্রমিস। অলসো, এটা অাগেই জিজ্ঞেস করা উচিত ছিল। অার ইউ ইন এনি প্যেন? ব্যথা অাছে?
— অাছে। হালকা। একটু চিনচিনে।
— জেরোডল খাবি একটা?
— অারে না না। হামি প্যেনকিল্যর নেই খাতা। হামি স্ট্রং উওম্যান। হামি…
— বুঝেছি। নাউ, ইফ ইউ উডন্ট মাইন্ড, অাইসপ্যাক অ্যান্ড রেস্ট, মিস বৈদ্য।
— রজার উইলকো, ডক্টর বৈদ্য।


#সোঘো, ১৩:২৬, ১২ জুন ২০১৭, তিলোত্তমা।


পঞ্চভূত নিয়ে বৈদ্যবাটীর একটা সিরিজ করার চেষ্টা করছি। পঞ্চভূত অর্থাৎ মামদো-জামদো-ব্রহ্মদৈত্য-পেত্নী-শাঁকচুন্নি নয়, ক্ষিতি-অপ-তেজ-মরুৎ-ব্যোম। ক্ষিতি অর্থে মাটি, ভূমি, পৃথিবী। অপ মানে জল। তেজ মানে অাগুন, এনার্জি। মরুৎ মানে হাওয়া, বাতাস, উইন্ড/এয়ার। ব্যোম মানে অাকাশ হলেও অামি এটাকে মহাকাশ হিসাবেই ধরব। দেখা যাক, কোথাকার অপ কোথায় গড়ায়।

এটা পঞ্চভূত সিরিজের ক্ষিতি সাবসিরিজের ০-তম লেখা। শূন্যতম কেননা এটা অাসল লেখাটাকে, মানে যেটাতে বিজ্ঞান অাছে, সেটাকে সেট-অাপ করছে।

এর ঠিক অাগের লেখাটা (পঞ্চভূত/ব্যোম #১) এইখানে : https://ghotibaatea.wordpress.com/2017/06/09/boidyobaatea-galileor-charte-chnaad/

পঞ্চভূত সিরিজের প্রথম লেখাটা (পঞ্চভূত/অপ #১) এইখানে :https://ghotibaatea.wordpress.com/2017/06/06/boidyobaatea-borof-kyano-halka/

Advertisements

One thought on “বৈদ্যবাটী : সাইকেল যখন স্লো

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s