ক্ষমা করবেন

-- জয় মা! জয় মা! জয় মা! জয় মা! চমকে উঠলাম। ঘুমটাও ভেঙে গেল। অালোটা লাল হবো হবো করছে। রয়েছে হ— সিগনালটা পেরিয়ে এলুম।

Advertisements

ফ্লাইট ৭৬০

"—অাসছে!" চমকে উঠলাম। ঘুমটাও ভেঙে গেলো। স্বপ্নটাও কোথায় যেন হারিয়ে গেল। স্বপ্ন? সামনে এয়ারহোস্ট দাঁড়িয়ে। হাসিহাসি মুখ। নাম ধরে ডাকছে। "ডক্টর বৈদ্য। উঠুন। কলকাতা অাসছে।" ঘুমিয়ে পড়েছিলুম। কিন্তু সে অার অাশ্চর্য কী? দিল্লীর ফ্লাইটটা যা লেট করলো।

হলুদ সাত : ইনফেকশান, চতুর্থ পর্ব

প্রথম পর্ব  দ্বিতীয় পর্ব তৃতীয় পর্ব -- নমস্কার, অাপনিই ডক্টর বৈদ্য? -- অাজ্ঞে হ্যাঁ। নমস্কার। -- বসুন বসুন। চা? কফি? -- নো, থ্যাঙ্কস। -- বলুন, হোয়াট ক্যান অাই ডু ফর ইউ। -- প্রথমেই, এতো শর্ট নোটিসে দেখা করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। -- অারে নো নো, অফ কোর্স অফ কোর্স, সম্বিত সেন অামার খুব ভাল বন্ধু।…

হলুদ সাত : ইনফেকশান, তৃতীয় পর্ব

প্রথম পর্ব  দ্বিতীয় পর্ব ...বাসে চাপতে অামার একদম ভালো লাগে না। একদম না। বিশ্বাস না হলে কী করবো বলো। হ্যাঁ, বাসে চড়েই রোজ বাড়ি-টু-কলেজ, কলেজ-টু-বাড়ি যাতায়াত করি। যাদবপুরে পড়ি, ইংলিশ, এম-এ, ফাইনাল ইয়ার। সুদীপও পড়ে। সুদীপ অামার বয়ফ্রেন্ড। মিমি বকছে অামায়, ম্যাঁও শব্দে বলছে, মিলি,মিথ্যে কথা ডায়েরিতে লিখতে নেই। পাপ হয়। মিমির ম্যাঁও অামি ঠিক…

হলুদ সাত : ইনফেকশান, দ্বিতীয় পর্ব

প্রথম পর্ব ...ঘাটে কোনওদিনও অাসিনি, বুঝলেন? শুনে অাশ্চর্য হতে পারেন, কিন্তু হক কথা। সন্ধ্যের টাইম যে এত ভাল হতে পারে, মাথাতেই খেলেনি কখনো। বসেই ছিলাম, এক মহিলা তো অাবার ছবিও তুলে নিলেন। বললেন নাকি, ছবি তোলাটাই নাকি পেশা। নেশাও। ন্যাশেনাল না কী ম্যাগাতে ছাপে নাকি সেই ছবি। তিরিশ-পঁয়তিরিশ বয়স, হাতে ইয়া বড় ক্যামেরা, দাম নাকি…

হলুদ সাত : ইনফেকশান, প্রথম পর্ব

সিলিন্ডারটা আজই দিয়ে গেছে। পাঁচশো টাকার একটা নতুন নোট দিলাম ডেলিভারি বয়টাকে। প্রথমে খুব অবাক হয়ে, তারপর একগাল হেসে “দিদি বহুত মেহেরবানী” বলে তিনবার সেলাম করে পুরনো সিলিন্ডারটা কাঁধে ফেলে চলে গেল। রেগুলেটর ফিট করে গ্যাস জ্বলছে কিনা ইত্যাদি চেক করে দেয় প্রতিবার, পঞ্চাশটা টাকা দি, খুশি হয়। গ্যাস লীকে অামার ভীষণ ভয়। ছোটবেলায় বাবার…

শাদা পেন : সন্ধ্যা ছ’টা, তৃতীয় দিন

-- জেএনইউতে কী হচ্ছে দেখছেন? কার্লসবার্গের বোতলটা অালতো করে টেবিলে রেখে যিনি এই কথাটি বললেন, তাঁকে অামি অাগে কখনও দেখিনি। দেখলেও যে মনে থাকতো তা নয়। দেখতে সাধারণ, পোশাকেও অভিনবত্ব নেই। কাল সকালে একদঙ্গল লোকের মধ্যে এনাকে চিনিয়ে দিতে বললে পারবো না। -- কীসব স্লোগান-টোগান দিচ্ছে ছাত্ররা। পড়াশুনো করবে না কি রাজনীতি? অাফটার অল, ওদের…

হলুদ সাত : চ্যালেঞ্জ

প্রিয়ে, জানি, নিজেকে চিঠি লেখাটা কেমন একটা বিদ্ঘুটে ব্যাপার। লোকে বলবে, ডায়েরি লিখলেই তো পারো। সবাই লেখে তো। অামি বলি, না, অাজকাল কেউ লেখে না। অাজকাল সকলে ব্লগার, ডায়েরি লিখতে তো কালি-কলম-কাগজ-সময় এগুলো চাই, অাজকাল কার অাছে এসব শুনি? অাজকাল ব্লগার মানেই তো কোলে ল্যাপটপ পাশে চায়ের কাপ ঘরে ওয়াই ফাই। ব্যস! না গো, ডায়েরি…